চকরিয়া টাইমস:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নবগঠিত এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
চকরিয়া টাইমস:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নবগঠিত এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
শাহজালাল শাহেদ (চকরিয়া টাইমস):
কক্সবাজার সংবাদদাতা:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, “জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচনের আগে ও নির্বাচন চলাকালীন সর্বক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ, সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা, প্রচারণার ন্যায্য পরিবেশ এবং প্রশাসনের পূর্ণ নিরপেক্ষতা ছাড়া কোনো নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জনগণ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ও পক্ষপাতমুক্ত ভূমিকা পালন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসনের সব স্তরকে জনগণের আস্থার জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে। একইসঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নস্যাৎকারীদের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।”
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় শহরের একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার রামু ও ঈদগাঁও উপজেলার ইউনিয়ন প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনীতি করে। আমরা ক্ষমতার জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করছি। অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারে—এটাই আমাদের দাবি।”
কক্সবাজার জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এবং কক্সবাজার-৩ আসন পরিচালনা কমিটির পরিচালক ফরিদ উদ্দিন ফারুকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন; কক্সবাজার জেলা নায়েবে আমীর মুফতি মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা দেলাওয়ার হোছাইন, কক্সবাজার সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সলিমুল্লাহ বাহাদুর, রামু উপজেলা আমীর ফজলুল্লাহ মু. হাসান, ঈদগাঁও উপজেলা উপজেলা আমীর মাওলানা সেলিম উল্লাহ জিহাদী, রামু উপজেলা সেক্রেটারি আ ন ম হারুন ও ঈদগাঁও উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা নূরুল আজীম। এসময় উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও ইউনিয়ন সভাপতি-সেক্রেটারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়া টাইমস :
পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ফাঁসিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিনের মাতার নামাযে জানাযা পূর্ব মেহেরনামা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটায় অনুষ্ঠিত জানাযায় ইমামতি করেন মরহুমার ছেলে মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন। এতে সর্বস্তরের শোকাহত মানুষের ঢল নামে। পরে মরহুমার মৃতদেহ স্থানীয় কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
বিশাল নামাযে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক, কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আখতার আহমদ, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মনজু, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ফরিদুল আলম, পেকুয়া উপজেলার সাবেক আমীর মাস্টার আবুল কালাম আযাদ, চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমদ, বারবাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা বদিউল আলম জিহাদী, বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালেকুজ্জামান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিনের মাতা পূর্ব মেহেরনামা নিবাসী বদিউজ্জামান বেগম (৭১) বার্ধক্যজনিত কারণে রোববার সকাল ৬টার দিকে চট্টগ্রামের বাসায় ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
চকরিয়া টাইমস:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত কক্সবাজার-১ চকরিয়া-পেকুয়া আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় ইউএনও কার্যালয়ে চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীন দেলোয়ারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এতে সঙ্গে ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল বশর, চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতের আমীর আরিফুল কবির, পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন ও মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আমীর মাওলানা ফরিদুল আলম।
এসময় পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুজ্জামান মনজু, চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমদ, সাবেক আমীর মাওলানা মুহাম্মদ মোজাম্মেল, বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ.এম মাওলানা বদিউল আলম, জামায়াত নেতা আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিক, খুটাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রহমান, লক্ষ্যারচরের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কাইছার, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আহসান হাবীব হাসানের পিতা মো. হেলাল উদ্দিন ও ছাত্রশিবিরের শহীদ মহিউদ্দিন মাসুমের পিতা ফজলুল কাদের সহ জুলাই বিপ্লবে চকরিয়ায় নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে বেরিয়ে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক সংবাদিকদের বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের আদর্শ ধারণ করেই আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। জনগণের অধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী বদ্ধপরিকর। তাই সকলের অংশগ্রহণমূলক অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
চকরিয়া টাইমস:
চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ইউএনও মো. শাহীন দেলোয়ারের হাতে তিনি ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী হিসেবে এ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খোকন মিয়া, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইবরাহিম, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফখরুদ্দিন ফরায়েজীসহ চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়া টাইমস:
আগামী ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য মহাসমাবেশ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্যবৃন্দ- মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা আবদুল হালিম, এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জনাব আবদুর রব, জনাব মোবারক হোসাইন, জনাব আবদুস সাত্তার, জনাব আবদুর রহমান মুসা, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এডভোকেট আতিকুর রহমান, মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, জনাব নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ড. মনোয়ার হোসাইন, মুহাম্মাদ শরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. সাজেদ আবদুল খালেক, ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব এবং ডা. মাহরুফ শাহরিয়ার।
সভায় মহাসমাবেশ বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ সময় মহাসমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একাধিক উপকমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।
পরিশেষে মহাসমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার সাহায্য কামনা করা হয়।
চকরিয়া টাইমস:
চকরিয়া টাইমস:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা মজলিসে শূরার সাধারণ অধিবেশন ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় হাসপাতাল সড়কস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহম্মদ শাহজাহান বলেছেন, “শহীদ ওসমান হাদীর নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ। অতীতেও আমরা দেখেছি—যখনই জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার, গণতন্ত্র ও ইসলামী মূল্যবোধের পক্ষে সোচ্চার হয়েছে, তখনই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন ও দমন-পীড়নের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে গণতান্ত্রিক ও ইসলামী আন্দোলন এবং তাবেদার রাষ্ট্রের আধিপত্যবাদ বিরোধী চলমান আন্দোলনকে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা চলছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—রক্তের স্রোত দিয়ে কোনো আদর্শকে দমন করা যায় না। শহীদদের রক্তই বরং আন্দোলনকে আরও বেগবান করে।”
মুহম্মদ শাহজাহান শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বলেন, “আমরা অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাই। বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলতে থাকলে এমন হত্যাকাণ্ড আরও বাড়বে, যা রাষ্ট্র ও সমাজকে গভীর সংকটে ঠেলে দেবে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র পথ হলো জাতীয় ঐক্য। দলীয় সংকীর্ণতা, অহংকার ও বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে দেশপ্রেমিক, গণতন্ত্রকামী ও স্বাধীনতাপ্রেমী শক্তিগুলোকে জুলাই বিপ্লবের পূর্বেকার সময়ের মতো আবারও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অন্যথায় দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।”
জেলা সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শূরা অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, শামসুল আলম বাহাদুর, মাওলানা দেলাওয়ার হোছাইন, জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আখতার আহমদ, কক্সবাজার-১ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও কক্সবাজার শহর আমীর আবদুল্লাহ আল ফারুক, কক্সবাজার ৩ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর।
এসময় জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ হেদায়াত উল্লাহ, অফিস সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট শাহজাহান, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ নুরুল হোছাইন ছিদ্দিকীসহ উপজেলা আমীর ও শূরা সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়া টাইমস :
চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মোক্তার আহমদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জননেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক।
ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তিনি আগুনে ভস্মীভুত বাড়ি ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এসময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিবেশী লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোয় স্থানীয়রা জননেতা এমপি প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ছাইরাখালী লামার পাড়া এলাকায় গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে জনৈক মোক্তার আহমদের বসতবাড়িতে আকষ্মিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারের বসতঘরসহ ঘরের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
চকরিয়া টাইমস:
চকরিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড ফুলতলার বাসিন্দা বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শওকত হোসেনের পিতা মোহাম্মদ হোছাইন মেম্বারের (৯০) নামাযে জানাযামঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুর দুইটায় ফুলতলা স্টেশন জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশাল নামাযে জানাযায় অংশগ্রহণ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে জানাযাপূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করে বিশেষ দোয়া মুনাজাতে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ক্রীড়া সংগঠক শওকত হোসেনের পিতা মোহাম্মদ হোসাইন মেম্বার সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ গ্রাম চকরিয়া পৌরসভার ফুলতলাস্থ বাসভবনে ইন্তিকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
চকরিয়া টাইমস:
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদি বলেছেন, “আমার ছোট ভাই শরীফ ওসমান বিন হাদি সবসময় বলত ‘আমাকে আল্লাহ রক্ষা করবেন। আমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আল্লাহর। আল্লাহ আমাদের পরিবার-পরিজন ও দেশের ১৮ কোটি মানুষকে নিরাপত্তা দিবেন। আমরা দেশকে আধিপত্যবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য রাজপথে নেমেছিলাম। আমরা শোষণ-জুলুমের অবসান ঘটিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফপূর্ণ দেশ গড়ার জন্য রাজপথে নেমেছি’।”
ওমর বিন হাদি আরও বলেন, “আমার ভাই ওসমান হাদি শাহাদাত বরণ করেছে। ওসমান যে স্বপ্ন দেখত সেই স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। তার অসমাপ্ত বিপ্লব সমাপ্ত করতে এগিয়ে আসার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের পরিবার-পরিজন সকলের কল্যাণের জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করছি।”
তিনি আজ ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইয়ের অকুতোভয় বিপ্লবী যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাৎ উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন।
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জনাব নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর জনাব মোঃ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চাকসুর সাবেক ভিপি এড. জসিম উদ্দিন সরকার এবং শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদী।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মুসা, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ও এড. ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসাইন, ড. আবদুল মান্নান প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইয়ের অকুতোভয় বিপ্লবী যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদী শির উঁচু করে শহীদ হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। তিনি একজন অত্যন্ত সৌভাগ্যবান শহীদ। তার শাহাদাতের পর দেশবাসী তার অনেক বক্তব্য টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে শোনার সুযোগ পেয়েছেন। তার বক্তব্যে আমরা দেখতে পাই, তিনি বারবার শহীদ হওয়ার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন। আল্লাহ তার শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করেছেন। আজ তার দুনিয়া ও আখিরাতের জীবন স্বার্থক হয়েছে বলে আমরা মনে করি।”
তিনি বলেন, “শহীদ ওসমান হাদির পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন, সৎ জীবন দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছে। তার শাহাদাতের পরে মানুষের মধ্যে যে জোয়ার, জজবা ও আকাক্সক্ষা সৃষ্টি হয়েছে তা এক বিরল ঘটনা। গতকাল তার নামাজে জানাযায় সরকার প্রধান, উপদেষ্টাবৃন্দ এবং দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ যেভাবে অংশগ্রহণ করেছে, তা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। আল্লাহ তার আকাক্সক্ষা পূরণ করে তাকে দুনিয়ায় অতি উঁচু মর্যাদা দিয়েছেন এবং আমরা আশাকরি আখিরাতেও আল্লাহ তাকে অতি উঁচু মর্যাদা দান করবেন। তাকে হারিয়ে তার পরিবার-পরিজন শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন। আল্লাহ তাদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান বিন হাদিকে রাজকীয় মর্যাদা দিয়েছেন। আল্লাহ তার পরিবার-পরিজনকেও দুনিয়ায় বিরাট মর্যাদা দিয়েছেন এবং আমরা আশাকরি আখিরাতেও আল্লাহ তায়ালা বিরাট মর্যাদা দিবেন।”
তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস শহীদ ওসমান হাদির জানাযায় অংশগ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য দেন। কিন্তু ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে কোনো কথাই বলেননি। ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে অবশ্যই বক্তব্য দেয়া উচিত ছিল। আমরা আশাকরি, তিনি এ ব্যাপারে জাতির সামনে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করবেন। দেশবাসীর প্রশ্ন ওসমান বিন হাদীর খুনিরা হামলার ছয় ঘণ্টা পর কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারল? কেন সরকার তাদেরকে গ্রেফতার করতে পারল না? সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা কী করেছে? গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের সহযোগিতাকারী কেউ লুকিয়ে আছে কিনা তা অবশ্যই তদন্ত করে দেখা উচিত। শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।”
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে হত্যাকারীদের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করার জন্য সরকারকে যে আল্টিমেটাম দিয়েছে তার সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে তিনি বলেন, “অবিলম্বে ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবি করছি। হাদির জানাযায় অংশগ্রহণ করে প্রধান উপদেষ্টা যে ওয়াদা করেছেন তা অবিলম্বে পূরণ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওসমান হাদি আধিপত্যবাদ মুক্ত স্বাধীন-সার্বভৌম, ইনসাফপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব এখন আমাদের সকলের। এই দায়িত্ব ঐক্যবদ্ধভাবে পালনে এগিয়ে আসার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।”
মাওলানা এটিএম মা’ছুম বলেন, “আল্লাহ তায়ালা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির আশা পূরণ করেছেন। শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে মানুষের সুখ-শান্তিতে বসবাসের উপযোগী একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তার স্বপ্ন- আধিপত্যবাদ মুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি, তাহলেই তার স্বপ্ন স্বার্থক হবে। শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতে অতি উচ্চ মর্যাদা দেয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং শহীদ ওসমান বিন হাদির পরিবার-পরিজনসহ সবাইকে হেফাজত করার জন্য দোয়া করেন।”
আলোচনা শেষে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে ওসমান হাদির শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতে অতি উচ্চ মর্যাদা প্রদান করার জন্য তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
চকরিয়া টাইমস:
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে চকরিয়ার কৈয়ারবিল ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) স্থানীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা উত্তর জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমদ, জামায়াত নেতা মাস্টার মোহাম্মদ মুসা, আবদুল্লাহ আল মামুর, শ্রমিক নেতা শরিফুল আমিন প্রমুখ।
এসময় কৈয়ারবিল ইউনিয়ন জামায়াত ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়া টাইমস:
চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বরইতলীর স্থানীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরইতলী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি জায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি শওকতুল ইসলামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল বশর ও চকরিয়া উপজেলা উত্তর জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমদ।
এসময় জামায়াত নেতা মাওলানা রশিদুর রহমান চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম, আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিক, বরইতলী ইউপি মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান, মাওলানা আবু সাঈদ আনচারীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জীবন ও আদর্শের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, ইনসাফ কায়েমের আন্দোলনে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না। বক্তারা শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তার রেখে যাওয়া স্বপ্ন পূরণে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতা অংশ নেন।
চকরিয়া টাইমস:
চকরিয়া টাইমস:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, আধিপত্যবাদমুক্ত জুলাই চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতীয় ঐক্য আজ অপরিহার্য দাবিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বিভক্তির রাজনীতি নয়; দেশ গড়ার রাজনীতিই আজ সময়ের দাবি। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধকে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং ইতিহাস বিকৃত করেছে। তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের সম্মুখ যোদ্ধা হাদির ওপর হত্যাচেষ্টা বাংলাদেশের মানচিত্রের ওপর হামলার শামিল।
মহান বিজয় দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী চকরিয়া উপজেলা, চকরিয়া পৌরসভা, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা ও পেকুয়া উপজেলা শাখার সমন্বিত উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেল ২টায় চকরিয়া সরকারি কলেজ ময়দানে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও র্যালিপূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
চকরিয়া সরকারি কলেজ ময়দানে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল র্যালি কলেজ চত্বর থেকে শুরু হয়ে চকরিয়া বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিটি চকরিয়া-পেকুয়া অঞ্চলের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আখতার আহমদের সভাপতিত্বে র্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর আবদুল্লাহ আল ফারুক। তিনি বলেন, বৈষম্যের শিকার উন্নয়ন বঞ্চিত চকরিয়া-পেকুয়াকে রাজনৈতিক দখলদারিত্ব মুক্ত করে কাংখিত উন্নয়নে কাজ করে যাবো। আমরা যদি সরকার গঠন করি; আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ৬লেনে উন্নীত করা হবে এবং শিক্ষাবান্ধব চকরিয়া গড়তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন উপস্থিত জনসাধারণ ও ছাত্রসমাজকে।
বিজয় র্যালিপূর্ব বিশাল সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল বাশার, চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতের আমীর মো. আরিফুল কবির, পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন ও মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আমীর মাওলানা ফরিদুল আলম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবির কক্সবাজার জেলা সভাপতি আবদুর রহিম নূরী, চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমদ, মাওলানা মোজাম্মেল হক, চকরিয়া উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিক ও পেকুয়া উপজেলা জামায়াত নেতা সরফরাজ আল নেওয়াজ।
পুরো সমাবেশে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ করিম, পৌরসভা সেক্রেটারি মাওলানা কুতুব উদ্দিন ও পেকুয়া উপজেলা সেক্রেটারি ডাঃ নুরুল কবির।
এসময় জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মীর মুহাম্মদ আবু তালহা, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুজ্জামান মঞ্জু, বারবাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা এইচএম বদিউল আলম জিহাদী, খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রহমান, বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছালেকুজ্জামান, হারবাং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দীন আহমদ বাবর, লক্ষ্যারচর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কাইছার, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শরিফুল আমিন, পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, উপজেলা পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. আবুল কালাম, সাবেক ছাত্রনেতা অধ্যাপক আবু নাঈম আযাদ, গোলাম কবির, এডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ মুছাসহ সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা স্বাধীনতা ও বিজয়ের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে ইসলামভিত্তিক রাজনীতি এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চকরিয়া টাইমস:
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি সফল করার লক্ষ্যে চকরিয়ায় স্বাগত মিছিল বের করেছে পৌরসভা জামায়াত। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে চারটায় অনুষ্ঠিত মিছিলের অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেন চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতের আমীর মো. আরিফুল কবির। মিছিলটি জনতা মার্কেট মসজিদ থেকে বের হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে থানা রাস্তার মাথা এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা কুতুব উদ্দিন হেলালীর সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন পৌর আমীর মো. আরিফুল কবির।
এসময় জামায়াত নেতা মাওলানা ওসমান গণি, মো. জিয়াউল করিম, হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদসহ জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা; মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের বর্ণাঢ্য র্যালি কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে সফল করার আহবান জানান।
উল্লেখ্য, চকরিয়া উপজেলা, পৌরসভা, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা ও পেকুয়া উপজেলা শাখার যৌথ আয়োজনে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় ৫৪তম মহান বিজয় দিবসের বর্ণাঢ্য র্যালি চকরিয়া সরকারি কলেজ মাঠ থেকে শুরু হবে। র্যালিটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর বাসটার্মিনালে শেষ হবে।
বর্ণাঢ্য র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক এবং প্রধান বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন চাকসু ভিপি মো. ইবরাহিম হোসেন রনি।
চকরিয়া টাইমস:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, উখিয়া-টেকনাফে পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে জেগে উঠেছে তরুণরা। সর্বত্রে একটি নতুনত্বের হাওয়া লেগেছে। ছাত্র-তরুণরা ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যেভাবে ভূমিকা পালন করেছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে তারুণ্য শক্তিই দাঁড়ি পাল্লা মার্কা বিজয়ের জন্য ভূমিকা পালন করবে। তরুণরাই এ বিজয় ছিনিয়ে আনবে ইনশা’আল্লাহ। হার না মানা তারুণ্য শক্তি আমাদের সাহসের বাতিঘর। আগামী দিনে তরুণদের হাত ধরে আমরা বাংলাদেশকে সুখী, সমৃদ্ধশালী ও উন্নত জনপদে পরিণত করবো ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উখিয়া উপজেলা শাখা আয়োজিত উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ছাত্র-তরুণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহজাহান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
উপজেলা আমীর মাওলানা আবুল ফজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত চাকসু ভিপি মুহাম্মদ ইবরাহিম হোসেন রনি।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, এখানে যুবকেরা জেগে উঠলে কারও পক্ষেই ভোট ছিনতাই করা সম্ভব নয়। চাঁদাবাজুসন্ত্রাসমুক্ত উখিয়াুটেকনাফ গড়তে নুর আহমদ আনোয়ারীর বিকল্প নেই। মাঠে যে গণজোয়ার দেখা যাচ্ছে—সেটিই বিরোধী শক্তিকে আতঙ্কিত করেছে, তাই পেশিশক্তির হুমকি-ধমকির অভিযোগ উঠছে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার জন্য আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের প্রজন্ম যেমন স্বৈরাচারের মসনদ ভেঙে দেশকে মুক্ত করেছিল, তেমনিভাবেই আজকের যুবকদের দায়িত্ব এই জনপদ ও জনপদের অধিবাসীদের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালানো।
মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, টেকনাফের সীমান্ত বাণিজ্য শুধু অর্থনীতিকেই এগিয়ে নিতে পারে না; এটি সামাজিক স্থিতি, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক উন্নয়নেরও সুযোগ তৈরি করবে।
তাই আগামী দিনে উখিয়া -টেকনাফের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী কে দাঁড়ি পাল্লা মার্কায় বিজয় নিশ্চিত করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
কক্সবাজার ৪ সংসদীয় উখিয়া-টেকনাফ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর বক্তব্যে জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী বলেছেন, আমরা সকল প্রকার দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবো। উখিয়া -টেকনাফ কে শান্তি ও নিরাপদ জনপদে পরিণত করতে আমার প্রাণপণ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আমি নিজেকে কখনো শাসক নয়, সবসময় জনগণের সেবক হিসেবে উপস্থাপন করেছি। ভবিষ্যতে জনগণের সমর্থন ও আল্লাহর রহমতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এই জনপদের সকল শ্রেণি-পেশা, ধর্ম-বর্ণের কল্যাণ ও অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবো। সমৃদ্ধ উখিয়া -টেকনাফের সকল সম্ভাবনা কে কাজে লাগিয়ে ছাত্র ও তারুণ্য শক্তির হাত ধরে এগিয়ে যাবো। কোন নির্দিষ্ট দলের নয় আমরা উখিয়া -টেকনাফের সকল মানুষের কথা বলবো। তাই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়ি পাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ কে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক এবং বৈষম্যমুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা সুলতান আহমদ ও সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহীমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম শাহজালাল চৌধুরী সরাসরি ঘোষণা দেন, “আগামী নির্বাচনে উখিয়াুটেকনাফে সংসদ সদস্য হবেন "মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারি।” এরপর তিনি আনোয়ারিকে সামনে এনে হাত তুলে ধরে জনগণকে পরিচয় করিয়ে দেন। এসময়—সমাবেশস্থলে তৈরি হয় এক আবেগঘন মুহূর্ত।
ছাত্র-যুব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা আব্দুর রহিম নুরী, জেলা জামায়াতের দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল হক, জেলা শ্রমিক কল্যাণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক শফিউল আলম খোন্দকার, জামায়াত নেতা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা শ্রমিক সভাপতি মুহাম্মদ রিদুয়ানুল হক জিসান, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহরাওয়ার্দী প্রমুখ।
চকরিয়া টাইমস:
পিতা হারানোর শোক ভুলে পেকুয়ার মগনামায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।
সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিকালে ক্ষতিগ্রস্তদের সমবেদনা জানাতে সেখানে ছুটে যান তিনি।
এদিকে অগ্নি দুর্ঘটনার একদিন আগে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যায় জননেতা আবদুল্লাহ আল ফারুকের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা নুরুল কবির। এতে তিনি পিতা হারানোর শোকে শোকাহত। এরমধ্যেও অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো সমাজসেবা ভুলে যাননি তিনি। মানবতার সেবায় ভুলে যেতে চান পিতা হারানোর অসহনীয় শোক।
তিনি এরমাঝেও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর পরিদর্শন করে সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সাধ্যমত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এসময় চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতের আমীর আরিফুল কবির, পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন, জেলা শ্রমিক নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল মোস্তফা চৌধুরীসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়া সংবাদদাতা:
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল ফারুকের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা নুরুল কবির (৭৮) এর নামাযে জানাযা সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নামাযে জানাযায় জামায়াত, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং হাজারো মানুষের ঢল নামে। বিশাল নামাযে জানাযার ইমামতি করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। এর আগে জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি।
চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমদের সঞ্চালনায় জানাযা পূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক এমপি এ.এইচ সালাহউদ্দিন মাহমুদ, কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী, জেলা সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আখতার আহমদ, জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, চকরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা আবুল বাশার, পৌরসভা জামায়াতের আমীর আরিফুল কবির, পেকুয়া উপজেলা আমীর মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন, বারবাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা বদিউল আলম জিহাদী, বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালেকুজ্জামান, হারবাং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমদ বাবর ও মরহুমের ছেলে জামায়াতের এমপি প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।
এসময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা ছরোয়ার আলম কুতুবী, জেলা শ্রমিক নেতা সাইদুল আলম, চকরিয়া উপজেলার সাবেক আমীর মাওলানা মোজাম্মেল হক, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ফরিদুল আলম, কক্সবাজার শহর জামায়াতের সেক্রেটারি রিয়াজ মুহাম্মদ শাকিল, চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ছৈয়দ করিম, রামু উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আ.ন.ম হারুন, চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা কুতুব উদ্দিন হেলালী, মাতামুহুরী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক, সাবেক ছাত্রনেতা অধ্যাপক শফিউল আলম খোন্দকার, দরবেশ আলী মুহাম্মদ আরমান, দিদারুল ইসলাম, আল আমিন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মুছা ইবনে হোসাইন বিপ্লব, কক্সবাজার জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুর রহিম নূরী, সেক্রেটারি মীর মুহাম্মদ আবু তালহা, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুজ্জামান মনজু, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. ওমর আলী, হারবাং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান, ছাত্রনেতা আবদুর রশিদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে স্থানীয় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুমের লাশ চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
উল্লেখ্য, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুকের পিতা চকরিয়া উপজেলা হারবাং কালা সিকদারপাড়া নিবাসী নুরুল কবির (৭৮) বার্ধক্যজনিত কারণে দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে নিজ বাসভবনে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৪ ছেলে ৩ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।