চকরিয়া টাইমস :
নিম্নে ফেসবুকের এডমিন পোস্ট হুবুহু তুলে ধরা হয়েছে:
চকরিয়া টাইমস :
ঢাকা | ১২ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার
চকরিয়া টাইমস:
চকরিয়া টাইমস (০৮ মার্চ ২০২৬, রবিবার | ঢাকা)
চকরিয়া টাইমস:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নবগঠিত এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
চকরিয়া টাইমস:
চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ইউএনও মো. শাহীন দেলোয়ারের হাতে তিনি ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী হিসেবে এ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খোকন মিয়া, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইবরাহিম, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফখরুদ্দিন ফরায়েজীসহ চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়া টাইমস:
আগামী ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য মহাসমাবেশ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্যবৃন্দ- মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা আবদুল হালিম, এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জনাব আবদুর রব, জনাব মোবারক হোসাইন, জনাব আবদুস সাত্তার, জনাব আবদুর রহমান মুসা, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এডভোকেট আতিকুর রহমান, মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, জনাব নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ড. মনোয়ার হোসাইন, মুহাম্মাদ শরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. সাজেদ আবদুল খালেক, ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব এবং ডা. মাহরুফ শাহরিয়ার।
সভায় মহাসমাবেশ বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ সময় মহাসমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একাধিক উপকমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।
পরিশেষে মহাসমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার সাহায্য কামনা করা হয়।
চকরিয়া টাইমস:
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদি বলেছেন, “আমার ছোট ভাই শরীফ ওসমান বিন হাদি সবসময় বলত ‘আমাকে আল্লাহ রক্ষা করবেন। আমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আল্লাহর। আল্লাহ আমাদের পরিবার-পরিজন ও দেশের ১৮ কোটি মানুষকে নিরাপত্তা দিবেন। আমরা দেশকে আধিপত্যবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য রাজপথে নেমেছিলাম। আমরা শোষণ-জুলুমের অবসান ঘটিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফপূর্ণ দেশ গড়ার জন্য রাজপথে নেমেছি’।”
ওমর বিন হাদি আরও বলেন, “আমার ভাই ওসমান হাদি শাহাদাত বরণ করেছে। ওসমান যে স্বপ্ন দেখত সেই স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। তার অসমাপ্ত বিপ্লব সমাপ্ত করতে এগিয়ে আসার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের পরিবার-পরিজন সকলের কল্যাণের জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করছি।”
তিনি আজ ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইয়ের অকুতোভয় বিপ্লবী যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাৎ উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন।
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জনাব নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর জনাব মোঃ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চাকসুর সাবেক ভিপি এড. জসিম উদ্দিন সরকার এবং শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদী।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মুসা, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ও এড. ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসাইন, ড. আবদুল মান্নান প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইয়ের অকুতোভয় বিপ্লবী যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদী শির উঁচু করে শহীদ হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। তিনি একজন অত্যন্ত সৌভাগ্যবান শহীদ। তার শাহাদাতের পর দেশবাসী তার অনেক বক্তব্য টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে শোনার সুযোগ পেয়েছেন। তার বক্তব্যে আমরা দেখতে পাই, তিনি বারবার শহীদ হওয়ার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন। আল্লাহ তার শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করেছেন। আজ তার দুনিয়া ও আখিরাতের জীবন স্বার্থক হয়েছে বলে আমরা মনে করি।”
তিনি বলেন, “শহীদ ওসমান হাদির পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন, সৎ জীবন দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছে। তার শাহাদাতের পরে মানুষের মধ্যে যে জোয়ার, জজবা ও আকাক্সক্ষা সৃষ্টি হয়েছে তা এক বিরল ঘটনা। গতকাল তার নামাজে জানাযায় সরকার প্রধান, উপদেষ্টাবৃন্দ এবং দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ যেভাবে অংশগ্রহণ করেছে, তা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। আল্লাহ তার আকাক্সক্ষা পূরণ করে তাকে দুনিয়ায় অতি উঁচু মর্যাদা দিয়েছেন এবং আমরা আশাকরি আখিরাতেও আল্লাহ তাকে অতি উঁচু মর্যাদা দান করবেন। তাকে হারিয়ে তার পরিবার-পরিজন শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন। আল্লাহ তাদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান বিন হাদিকে রাজকীয় মর্যাদা দিয়েছেন। আল্লাহ তার পরিবার-পরিজনকেও দুনিয়ায় বিরাট মর্যাদা দিয়েছেন এবং আমরা আশাকরি আখিরাতেও আল্লাহ তায়ালা বিরাট মর্যাদা দিবেন।”
তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস শহীদ ওসমান হাদির জানাযায় অংশগ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য দেন। কিন্তু ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে কোনো কথাই বলেননি। ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে অবশ্যই বক্তব্য দেয়া উচিত ছিল। আমরা আশাকরি, তিনি এ ব্যাপারে জাতির সামনে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করবেন। দেশবাসীর প্রশ্ন ওসমান বিন হাদীর খুনিরা হামলার ছয় ঘণ্টা পর কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারল? কেন সরকার তাদেরকে গ্রেফতার করতে পারল না? সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা কী করেছে? গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের সহযোগিতাকারী কেউ লুকিয়ে আছে কিনা তা অবশ্যই তদন্ত করে দেখা উচিত। শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।”
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে হত্যাকারীদের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করার জন্য সরকারকে যে আল্টিমেটাম দিয়েছে তার সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে তিনি বলেন, “অবিলম্বে ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবি করছি। হাদির জানাযায় অংশগ্রহণ করে প্রধান উপদেষ্টা যে ওয়াদা করেছেন তা অবিলম্বে পূরণ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওসমান হাদি আধিপত্যবাদ মুক্ত স্বাধীন-সার্বভৌম, ইনসাফপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব এখন আমাদের সকলের। এই দায়িত্ব ঐক্যবদ্ধভাবে পালনে এগিয়ে আসার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।”
মাওলানা এটিএম মা’ছুম বলেন, “আল্লাহ তায়ালা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির আশা পূরণ করেছেন। শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে মানুষের সুখ-শান্তিতে বসবাসের উপযোগী একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তার স্বপ্ন- আধিপত্যবাদ মুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি, তাহলেই তার স্বপ্ন স্বার্থক হবে। শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতে অতি উচ্চ মর্যাদা দেয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং শহীদ ওসমান বিন হাদির পরিবার-পরিজনসহ সবাইকে হেফাজত করার জন্য দোয়া করেন।”
আলোচনা শেষে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে ওসমান হাদির শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতে অতি উচ্চ মর্যাদা প্রদান করার জন্য তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
চকরিয়া টাইমস:
চট্টগ্রাম শহরে অবস্থানরত চকরিয়া-পেকুয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এক প্রীতি সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১নভেম্বর) পিপস্টপ হোটেল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণে ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে যে যার অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
চকরিয়া উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিকের সভাপতিত্বে ও আয়োজক কমিটির অন্যতম মুখপাত্র সাবেক ছাত্রনেতা রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার আলোচনা পেশ করেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আখতার আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, নগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ড. আ.ম.ম মাশরুর হোছাইন, পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন ও মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আমীর মাওলানা ফরিদুল আলম।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ ড. লায়ন মুহাম্মদ সানা উল্লাহ, ব্যবসায়ী সরফরাজ আল নেওয়াজ চৌধুরী, অধ্যাপক মিছবাহ উদ্দীন, অধ্যাপক বাহার উদ্দিন জুবাইর, অধ্যাপক কফিল উদ্দীন, ড. কফিল উদ্দীন ফারুক, সাবেক ছাত্রনেতা মোরশেদুল আলম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মির্জা গালিব প্রমুখ।
নিউজ ডেস্ক :
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসভিয়ার’ বিশ্বসেরা গবেষক তালিকা প্রকাশ করেছে। বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৩৫ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছেন। যা দেশে সর্বোচ্চ।
গত বছর এই তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থান পেয়েছিলেন ১০ জন। চলতি বছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ এ, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, কনসিস্টেন্সি এবং সহ-লেখকদের প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থান এবং বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চায় ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন।
স্বীকৃত গবেষকরা হলেন- এম. এ. খালেক, মো. মনজুর হাসান, মুহাম্মদ ইব্রাহিম শাহ, মো. আব্দুল মুকতাদির, মো. রাকিবুল হক, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, নেপাল চন্দ্র রায়, অমিত আবদুল্লাহ খন্দকার, তসলিম উর রশিদ, আব্দুস সালাম, মো. নাজমুল হাসান, কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, মো. শাদ সালমান, এম. রেজাউল ইসলাম, মোঃ কাওসার আহমেদ, খাদিজা কুবরা, এম. এস. রহমান, তাওসিফুর রহমান, আনিছুর রহমান, সৈকত মিত্র, এম. মঈনুল ইসলাম, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মো. আবু বিন হাসান সুসান, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এম. ফেরদৌস, মো. আব্দুল কুদ্দুস, মো. মাহমুদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা, মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, মো. রবিউল হাসান, আল সাকিব খান পাঠান, মো. আব্দুর রাজ্জাক, অনিমেষ পাল, শেখ এম. এম. ইসলাম এবং মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বিশ্বের শীর্ষ বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পাওয়ায় শিক্ষক ও গবেষকদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই স্বীকৃতি শুধু শিক্ষক ও গবেষকদের অসাধারণ অর্জনকে তুলে ধরে না বরং এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানচর্চার বিকাশ এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিরও প্রতিফলন ঘটায়। এই অর্জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপাচার্য আরো বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য একটি টেকসই অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত এক বছর ধরে গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক গবেষণা সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার মতো নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
চকরিয়া টাইমস :
রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলে মর্মান্তিক বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতদের জন্য ৫০ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা. শফিকুর রহমান আহতদের চিকিৎসায় দেশের সকল চিকিৎসককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এ সহায়তা প্রদান করা হবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে মানবতার পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দিন এবং কবুল করুন। আমিন।
চকরিয়া টাইমস :
৮ জুলাই মঙ্গলবার রাতে ঢাকাস্থ চায়না দূতাবাস চীন সফরের পূর্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সম্মানে এক সংবর্ধনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মান্যবর মি. ইয়াও ওয়েন এবং বক্তব্য প্রদান করেন।
আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করেন নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা আবদুল হালিম, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান ও এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন ও জনাব মোবারক হোসাইন, সংগঠনের শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি ডা. আনোয়ারুল আজিম, আমীরে জামায়াতের পিএস নজরুল ইসলাম, ওমর হাসিব শফিউল্লাহ ও নওশাদ আলী ফরহাদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল চীন সরকারের আমন্ত্রণে আগামী ১১ থেকে ১৫ জুলাই চীন সফর করবে ইনশাআল্লাহ।
চকরিয়া টাইমস:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আগামী ১৯জুলাই ঐতিহাসিক ‘জাতীয় সমাবেশ’ বাস্তবায়ন কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আজ মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম ও এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ ও জনাব মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জনাব নূরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর জনাব মোঃ সেলিম উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, ইসলামিক দাওয়াহ সার্কেল মালয়েশিয়ার সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল্লাহ মানসুর, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও জনাব মোঃ ইয়াসিন আরাফাত, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি জনাব কামাল হোসাইন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি এড. আতিকুর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম এবং ড. জুবায়ের আহমাদ প্রমুখ।
৭-দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ১৯ জুলাই শনিবার বেলা ২টায় রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহাসিক ‘জাতীয় সমাবেশ’ সফল করে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়।
আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ছাত্র-জনতার বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান জাতীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই-আগস্টের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং জীবন উৎসর্গকারী ছাত্র-জনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে দেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এই সমাবেশের আয়োজন করেছে। জাতীয় সমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্য তিনি সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত ৭-দফা আদায়ের মাধ্যমেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সফলতা অর্জন করা সম্ভব বলে তিনি বৈঠকে অভিমত ব্যক্ত করেন।
চকরিয়া টাইমস :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক আহছানউল্লাহ ভূঁইয়া বলেছেন, মানবরচিত কোনো মতবাদই দুনিয়াতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। একমাত্র ইনসাফ ও ভারসাম্যপূর্ণ আল্লাহর আইন দ্বারাই আল্লাহর জমিনে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। আর এজন্য প্রয়োজন আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন।
রোববার (২৯ জুন) সকালে চট্টগ্রামের চকবাজারস্থ সাফা আর্কেড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম অঞ্চল আয়োজিত লিডারশিপ ট্রেনিংয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক আহছানউল্লাহ আরও বলেন, আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সংকট নেতৃত্ব, সততা ও যোগ্যতার। এসব সংকট নিরসনে ছাত্র এবং তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গঠন করা হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ছাত্র ও তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য জাফর সাদেক ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আমিরুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ, চট্টগ্রাম মহানগরীর সাবেক আমির, সাবেক এমপি ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর ও চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের প্রার্থী আলাউদ্দিন সিকদার, দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আমীর ও কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী, খাগড়াছড়ি আমীর অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম-১০ (খুলশী-পাহাড়তলী- হালিশহর) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) প্রার্থী ডা. ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখানী-চান্দগাঁও) আসনের প্রার্থী ডা. আবু নাছের, চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের প্রার্থী এডভোকেট সাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম, বান্দরবান আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনের প্রার্থী ডা. শাহাদৎ হোসাইন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের প্রার্থী এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের এমপি প্রার্থী শাহজাহান মঞ্জু, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের প্রার্থী আবদুল্লাহ ফারুক, কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর, রামু, ঈদগাঁও) আসনের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর প্রমুখ।
চকরিয়া টাইমস :
স্টাফ রিপোর্টার :
ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত মোহাম্মদ হাসান থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবারের উদ্বৃতি দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তার ভেরিফাইড ফেসবুকে একথা জানিয়েছেন।
উমামা ফাতেমা ফেসবুকে লিখেছেন ‘জুলাই অভ্যুত্থানে আহত হাসান ভাই একটু আগে শহীদ হয়েছেন। হাসান ভাই আহত হওয়ার পর থেকে 'এম্পাওয়ারিং আউয়ার ফাইটার্স’র মাধ্যমে তার সঙ্গে কলি আপু সার্বক্ষণিক যুক্ত ছিলেন। কিছুদিন আগে কলি কায়েয আপু বলছিলেন হাসানের অবস্থা বেশি ভালো না। আমি ভাবছিলাম দেশে আসলে দেখতে যাব। কি বলব! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আহত, শহীদদের পরিবারের জীবন থমকে গেছে। আমরা ঠিকই যাপন করে যাচ্ছি। কিন্তু যাপন করি কই! জুলাই তো কাঁধে বয়ে বেড়াতে হয়। শহীদদের লাশের ভার কি আমাদের কাঁধকেই ভারী করে তুলে! বাকিসব তো দেখি দিব্যি কেটে যাচ্ছে।’
এ ছাড়া, রাত ১১টা ২১ মিনিটে ‘এম্পাওয়ারিং আওয়ার ফাইটারস’ নামে একটি ফেসবুক পেজে হাসানের বোনের বরাতে বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম আহত যোদ্ধা আমাদের ভাই হাসান থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটু আগে শহীদ হয়েছেন। সবাই দোয়া করবেন। ফোনে খবরটি নিশ্চিত করেছেন হাসানের ছোট বোন সুমাইয়া।
ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়, ‘গত সাত মাস ধরে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে ছিলেন মোহাম্মদ হাসান। গত ১০ এপ্রিল হাসানকে লাইফসাপোর্ট থেকে সরিয়ে সাধারণ বেডে আনা হয়। ২৫ এপ্রিল তার অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে পুনরায় লাইফসাপোর্টে নেওয়া হয়।’
স্ট্যাটাসে বলা হয় ‘গত ৫ আগস্ট টাইগারপাসে আন্দোলনের সময় মাথার ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হয়- যা সম্ভাব্য ব্রেন ড্যামেজের কারণ হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার খাদ্যনালী ও কণ্ঠনালী এক করে লাইফসাপোর্ট দেওয়া হয়। এ সময় ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ে তার মস্তিষ্কে এবং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।’
আজ শুক্রবার পৃথক স্ট্যাটাসে এম্পাওয়ারিং আউয়ার ফাইটার্স জানিয়েছে, শহীদ মোহাম্মদ হাসানের মরদেহ আগামীকাল আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশে পৌঁছাবে। ঢাকা সিএমএইচ-এ সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে। এরপর শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে নোয়াখালীর জামেয়া ইসলামিয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে— যেখানে তিনি প্রাথমিকভাবে পড়াশোনা করেছিলেন। এরপর নিজ জেলা নোয়াখালীর সোনাপুর গ্রামে তাঁকে দাফন করা হবে।
হাসান চট্টগ্রামের হালিশহর গরিবে নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। করোনাকালীন সময় পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়লেও পরিবারকে সহায়তা করতে একটি ওয়ার্কশপে কাজ শুরু করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি দুই বোনের একমাত্র ভাই হিসেবে পরিবারের ভরসাস্থল ছিলেন। মায়ের দুঃখ ঘোচাতে নিজ হাতে জীবনের হাল ধরতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।
চকরিয়া টাইমস :
গণতান্ত্রিক সম্ভাবনা যাতে কোনভাবেই হুমকির মুখে না পড়ে এবং সম্ভাবনাকে ধরে রাখতে আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে এক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী অন্যতম মুখপাত্র হাসনাত আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২২ মে) তিনি নিজ ফেসবুক টাইমলাইনে এক পোস্টের মাধ্যমে এ আহবান জানান তিনি। নিম্নে হুবুহু তা তুলে হয়েছে।
এনসিপিকে নির্বাচনবিরোধী আখ্যা দিয়ে সচেতনভাবেই এক ধরনের কলঙ্ক দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, ছাত্র উপদেষ্টারা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে চায়—এমন গুজব ছড়িয়ে নেতিবাচক ইমেজ তৈরি করার নানা কার্যক্রমও চলমান। এই চক্রান্ত কয়েকটি দিক থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
সোহাইল আহমেদ বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):
"নিজস্ব ভবনের স্বপ্ন পূরণে সাংবাদিকদের নতুন ঠিকানা"
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। নিজস্ব ভবনের অভাববোধ পেরিয়ে এবার তারা পেতে চলেছেন নিজেদের ঠিকানা। বুধবার (১৪ মে) বিকাল ৫টায় বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদা আক্তারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৩৭ বছর আগে বসুন্ধরা গ্রুপ প্রেসক্লাবের জন্য উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ৬ শতক জমি কিনে দিলেও কোনো নির্বাচিত কমিটি না থাকায় ও নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে জমিটি পরিত্যক্ত ছিল। অবশেষে ৩৬ বছর পর ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়। শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে ৫ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোল্লা মো. নাসির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম শিবলী, সহ-সভাপতি ফয়সল আহমেদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বি রিফাত, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সোহাইল আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক শাহীন আহমেদ সাজু, দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ পলাশ মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আলাউদ্দিন সাদীসহ অন্যান্য সদস্যরা।
ইউএনও ফেরদৌস আরা বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। প্রেসক্লাব ভবনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করি।”
ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিকদের কল্যাণে নেওয়া এই মহতী উদ্যোগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবসময় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
প্রেসক্লাব সভাপতি মোল্লা মো. নাসির আহমেদ বলেন, “দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজস্ব ভবনের কাজ শুরু হওয়ায় আমরা গর্বিত ও আনন্দিত।”
সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম শিবলী বলেন, “এই ভবন শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়, এটি আমাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক।”
সহ-সভাপতি ফয়সল আহমেদ খান বলেন, “সবার ঐক্য ও সহমর্মিতায় আজকের এই সফলতা এসেছে। সামনে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।”
চকরিয়া টাইমস :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সম্ভাবনার এই লগ্নে বিভিন্ন অপকর্মমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তারা দুষ্কৃতকারী। অসাধু উদ্দেশ্যে দেশকে নৈরাজ্যকর ও অস্থিতিশীল করার জন্য লিপ্ত রয়েছে গণতন্ত্র ধ্বংসকারীরা। দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী এই অপশক্তি দমনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।