চকরিয়া টাইমস:
সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে: মুহাম্মদ শাহজাহান
চকরিয়া টাইমস:
চট্টগ্রাম শহরে অবস্থানরত চকরিয়া-পেকুয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এক প্রীতি সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১নভেম্বর) পিপস্টপ হোটেল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণে ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে যে যার অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
চকরিয়া উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিকের সভাপতিত্বে ও আয়োজক কমিটির অন্যতম মুখপাত্র সাবেক ছাত্রনেতা রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার আলোচনা পেশ করেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চকরিয়া-পেকুয়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আখতার আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, নগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ড. আ.ম.ম মাশরুর হোছাইন, পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন ও মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আমীর মাওলানা ফরিদুল আলম।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ ড. লায়ন মুহাম্মদ সানা উল্লাহ, ব্যবসায়ী সরফরাজ আল নেওয়াজ চৌধুরী, অধ্যাপক মিছবাহ উদ্দীন, অধ্যাপক বাহার উদ্দিন জুবাইর, অধ্যাপক কফিল উদ্দীন, ড. কফিল উদ্দীন ফারুক, সাবেক ছাত্রনেতা মোরশেদুল আলম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মির্জা গালিব প্রমুখ।
এসএসসিতে ১২৬৩ নাম্বার পেয়ে কক্সবাজার জেলায় প্রথম চকরিয়ার জয়া খাতুন
চকরিয়া টাইমস :
সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গোল্ডেন জিপিএ-৫সহ সর্বোচ্চ ১২৬৩ নাম্বার পেয়ে কক্সবাজার জেলার প্রথম হয়েছে চকরিয়ার জয়া খাতুন। এরই মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম বোর্ডে মেধা তালিকায় ১৫তম স্থান অর্জন করেছে। সে চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে। কৃতি শিক্ষার্থী জয়া খাতুন পাইকারি কসমেটিকস ব্যবসায়ী হাসানুর রহমান সরকার ও শাহীনা বেগম দম্পতির সুযোগ্য কন্যা।
সূত্রে জানা গেছে, মেয়ের দাদার বাড়ি সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে হলেও নানার বাড়ি চকরিয়া পৌরশহরের ৮নং ওয়ার্ড সোসাইটিপাড়ায়। দীর্ঘদিন ধরে চকরিয়া পৌরশহরে পাইকারি কসমেটিক সামগ্রীর ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছিল কৃতি শিক্ষার্থী জয়ার পিতা হাসানুর রহমান সরকার। সেই সুবাধে জয়ার জন্মস্থান ও পৈত্রিক নিজস্ব নিবাস বর্তমানে চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড সোসাইটিপাড়ায়।
এদিকে মেধাবি শিক্ষার্থী জয়া খাতুনের এ অসাধারণ সাফল্য পরিবারের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বমহলে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে।
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে : অধ্যাপক আহছানউল্লাহ ভূঁইয়া
চকরিয়া টাইমস :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক আহছানউল্লাহ ভূঁইয়া বলেছেন, মানবরচিত কোনো মতবাদই দুনিয়াতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। একমাত্র ইনসাফ ও ভারসাম্যপূর্ণ আল্লাহর আইন দ্বারাই আল্লাহর জমিনে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। আর এজন্য প্রয়োজন আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন।
রোববার (২৯ জুন) সকালে চট্টগ্রামের চকবাজারস্থ সাফা আর্কেড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম অঞ্চল আয়োজিত লিডারশিপ ট্রেনিংয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক আহছানউল্লাহ আরও বলেন, আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সংকট নেতৃত্ব, সততা ও যোগ্যতার। এসব সংকট নিরসনে ছাত্র এবং তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গঠন করা হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ছাত্র ও তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য জাফর সাদেক ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আমিরুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ, চট্টগ্রাম মহানগরীর সাবেক আমির, সাবেক এমপি ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর ও চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের প্রার্থী আলাউদ্দিন সিকদার, দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আমীর ও কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী, খাগড়াছড়ি আমীর অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম-১০ (খুলশী-পাহাড়তলী- হালিশহর) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) প্রার্থী ডা. ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখানী-চান্দগাঁও) আসনের প্রার্থী ডা. আবু নাছের, চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের প্রার্থী এডভোকেট সাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম, বান্দরবান আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনের প্রার্থী ডা. শাহাদৎ হোসাইন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের প্রার্থী এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের এমপি প্রার্থী শাহজাহান মঞ্জু, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের প্রার্থী আবদুল্লাহ ফারুক, কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর, রামু, ঈদগাঁও) আসনের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর প্রমুখ।
শহর রক্ষাবাঁধ ও নদী ভাঙ্গন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে চকরিয়ায় মানববন্ধন
চকরিয়া টাইমস :
চকরিয়া পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ড কোচপাড়াস্থ মজিদিয়া পৌর আলিম মাদরাসা হতে মাতামুহুরী নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে শহর রক্ষাবাঁধ টেকসই করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় জনসাধারণ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।
মঙ্গলবার (৩ জুন) মানববন্ধন কর্মসূচির সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা কুতুব উদ্দিন হেলালী, পৌরসভা যুবদলের সাবেক সভাপতি সাবেক প্যানেল মেয়র শহিদুল ইসলাম ফোরকান, মাস্টার গোলাম মাওলা, ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, যুবনেতা নুর মোহাম্মদ সিকদার। এসময় ছাদেকুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম আসলে আতঙ্কে দিন কাটে এ এলাকার হাজারো পরিবার ও ব্যবসায়ীদের। এমনকী বেঁড়িবাধ ভেঙে সর্বস্ব হারানোর ভয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটান অনেক পরিবার। এ অবস্থায় কোচপাড়া থেকে মজিদিয়া আলীম মাদ্রাসা পর্যন্ত এলাকা ও ১নং শহর রক্ষা বাঁধ হয়ে মাতামুহুরি ব্রিজ পর্যন্ত মাতামুহুরি নদীর তীরে আরসিসি ব্লক ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
অন্যদিকে চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় বালুর মেশিন বসিয়ে যারা বালু উত্তোলন করছে তাদের কঠোর হুশিয়ারি দেন তরুণ জননেতা শহিদুল ইসলাম ফোরকান। তিনি বলেন, প্রশাসন যদি এসব অবৈধ বালুর মেশিন বন্ধ না করে তাহলে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে নিজেরাই ভেঙে দিবেন। ৮নং ওয়ার্ডে কোনো ধরনের বালুর মেশিন বসাতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকায় যারা বালুর মেশিন বসিয়ে ব্যবসা করছেন, তারা হাজার হাজার মানুষের জানমালের ক্ষতি করছেন। যার ফলে অসংখ্য স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তাই এলাকাবাসীর জানমাল রক্ষার্থে অনতিবিলম্বে নদী ভাঙ্গন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
থাইল্যান্ডের হাসপাতালে মারা গেছে চট্টগ্রামের জুলাই যোদ্ধা হাসান
স্টাফ রিপোর্টার :
ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত মোহাম্মদ হাসান থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবারের উদ্বৃতি দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তার ভেরিফাইড ফেসবুকে একথা জানিয়েছেন।
উমামা ফাতেমা ফেসবুকে লিখেছেন ‘জুলাই অভ্যুত্থানে আহত হাসান ভাই একটু আগে শহীদ হয়েছেন। হাসান ভাই আহত হওয়ার পর থেকে 'এম্পাওয়ারিং আউয়ার ফাইটার্স’র মাধ্যমে তার সঙ্গে কলি আপু সার্বক্ষণিক যুক্ত ছিলেন। কিছুদিন আগে কলি কায়েয আপু বলছিলেন হাসানের অবস্থা বেশি ভালো না। আমি ভাবছিলাম দেশে আসলে দেখতে যাব। কি বলব! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আহত, শহীদদের পরিবারের জীবন থমকে গেছে। আমরা ঠিকই যাপন করে যাচ্ছি। কিন্তু যাপন করি কই! জুলাই তো কাঁধে বয়ে বেড়াতে হয়। শহীদদের লাশের ভার কি আমাদের কাঁধকেই ভারী করে তুলে! বাকিসব তো দেখি দিব্যি কেটে যাচ্ছে।’
এ ছাড়া, রাত ১১টা ২১ মিনিটে ‘এম্পাওয়ারিং আওয়ার ফাইটারস’ নামে একটি ফেসবুক পেজে হাসানের বোনের বরাতে বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম আহত যোদ্ধা আমাদের ভাই হাসান থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটু আগে শহীদ হয়েছেন। সবাই দোয়া করবেন। ফোনে খবরটি নিশ্চিত করেছেন হাসানের ছোট বোন সুমাইয়া।
ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়, ‘গত সাত মাস ধরে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে ছিলেন মোহাম্মদ হাসান। গত ১০ এপ্রিল হাসানকে লাইফসাপোর্ট থেকে সরিয়ে সাধারণ বেডে আনা হয়। ২৫ এপ্রিল তার অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে পুনরায় লাইফসাপোর্টে নেওয়া হয়।’
স্ট্যাটাসে বলা হয় ‘গত ৫ আগস্ট টাইগারপাসে আন্দোলনের সময় মাথার ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হয়- যা সম্ভাব্য ব্রেন ড্যামেজের কারণ হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার খাদ্যনালী ও কণ্ঠনালী এক করে লাইফসাপোর্ট দেওয়া হয়। এ সময় ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ে তার মস্তিষ্কে এবং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।’
আজ শুক্রবার পৃথক স্ট্যাটাসে এম্পাওয়ারিং আউয়ার ফাইটার্স জানিয়েছে, শহীদ মোহাম্মদ হাসানের মরদেহ আগামীকাল আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশে পৌঁছাবে। ঢাকা সিএমএইচ-এ সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে। এরপর শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে নোয়াখালীর জামেয়া ইসলামিয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে— যেখানে তিনি প্রাথমিকভাবে পড়াশোনা করেছিলেন। এরপর নিজ জেলা নোয়াখালীর সোনাপুর গ্রামে তাঁকে দাফন করা হবে।
হাসান চট্টগ্রামের হালিশহর গরিবে নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। করোনাকালীন সময় পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়লেও পরিবারকে সহায়তা করতে একটি ওয়ার্কশপে কাজ শুরু করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি দুই বোনের একমাত্র ভাই হিসেবে পরিবারের ভরসাস্থল ছিলেন। মায়ের দুঃখ ঘোচাতে নিজ হাতে জীবনের হাল ধরতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।
আলীর সুড়ঙ্গের পরাবাস্তব আখ্যান
মমতাজ উদ্দিন আহমদ:
বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ইউএনও ফেরদৌস আরা
সোহাইল আহমেদ বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):
"নিজস্ব ভবনের স্বপ্ন পূরণে সাংবাদিকদের নতুন ঠিকানা"
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। নিজস্ব ভবনের অভাববোধ পেরিয়ে এবার তারা পেতে চলেছেন নিজেদের ঠিকানা। বুধবার (১৪ মে) বিকাল ৫টায় বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদা আক্তারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৩৭ বছর আগে বসুন্ধরা গ্রুপ প্রেসক্লাবের জন্য উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ৬ শতক জমি কিনে দিলেও কোনো নির্বাচিত কমিটি না থাকায় ও নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে জমিটি পরিত্যক্ত ছিল। অবশেষে ৩৬ বছর পর ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়। শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে ৫ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোল্লা মো. নাসির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম শিবলী, সহ-সভাপতি ফয়সল আহমেদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বি রিফাত, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সোহাইল আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক শাহীন আহমেদ সাজু, দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ পলাশ মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আলাউদ্দিন সাদীসহ অন্যান্য সদস্যরা।
ইউএনও ফেরদৌস আরা বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। প্রেসক্লাব ভবনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করি।”
ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিকদের কল্যাণে নেওয়া এই মহতী উদ্যোগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবসময় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
প্রেসক্লাব সভাপতি মোল্লা মো. নাসির আহমেদ বলেন, “দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজস্ব ভবনের কাজ শুরু হওয়ায় আমরা গর্বিত ও আনন্দিত।”
সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম শিবলী বলেন, “এই ভবন শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়, এটি আমাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক।”
সহ-সভাপতি ফয়সল আহমেদ খান বলেন, “সবার ঐক্য ও সহমর্মিতায় আজকের এই সফলতা এসেছে। সামনে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।”
দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারীদের দমনে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে : মুহাম্মদ শাহজাহান
চকরিয়া টাইমস :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সম্ভাবনার এই লগ্নে বিভিন্ন অপকর্মমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তারা দুষ্কৃতকারী। অসাধু উদ্দেশ্যে দেশকে নৈরাজ্যকর ও অস্থিতিশীল করার জন্য লিপ্ত রয়েছে গণতন্ত্র ধ্বংসকারীরা। দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী এই অপশক্তি দমনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
চট্টগ্রামের বির্জাখাল খনন শুরু করেছে জামায়াত
'জলাবদ্ধতা নিরসনে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জামায়াতকে স্বাগত জানাচ্ছি' -ডা. শাহাদাত হোসেন
'হিংসা, বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা ভুলে আমরা মানুষের জন্য কাজ করতে চাই' - শাহজাহান চৌধুরীদুই উপজেলার মেলবন্ধন এক বাঁশের সাঁকো
সোহাইল আহমেদ, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):
সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী জানিয়েছেন, তিতাস নদীর উপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগর উপজেলার প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে। বিশেষ করে নবীনগর উপজেলার অন্তত ১৭ হাজার মানুষ কম সময়ে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতে পারবে।
স্থানীয়দের দাবি উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের চরলোহনিয়া ওয়াই সেতুর নিচ থেকে তিতাস নদীর একটি শাখা কলাকান্দি, পূর্বহাটি, ফরদাবাদ, পিঁপড়িয়াকান্দা, দুবাচাইল, বাজে বিশারা, ভিটিবিশারা, গোকুলনগরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ওপর দিয়ে ইমামনগর পর্যন্ত প্রবাহিত। অর্ধশত বছর ধরে এই স্থানে খেয়া নৌকা চলাচল করত। কিন্তু নৌকায় পার হতে সময় লাগার পাশাপাশি ঝুঁকিও ছিলো অনেক।
অবশেষে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এই সাঁকো ব্যবহার করে দুই উপজেলার মানুষ প্রতিদিন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরসহ ঢাকা, কুমিল্লা, মুরাদনগর ও নবীনগরে যাতায়াত করছে। তবে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি এই সাঁকোটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং বর্ষাকালে চলাচল আরও কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।
সাঁকোটি ব্যবহার করে নবীনগর উপজেলার রতনপুর, শ্রীকাইল, ভিটিবিশারা, বাজে বিশারা, শাগদা, পেন্নাই, চন্দ্রনাইল, দুবাচাইল, সাহাপুর, সাতমোড়া, মোল্লা ও ভাউচাইল গ্রামের মানুষ কড়িকান্দি ফেরি পার হয়ে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করছে। অন্যদিকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ইমামনগর, দরিকান্দি, গোকুলনগর, খাল্লা ও ফরদাবাদ গ্রামের মানুষ নবীনগরসহ কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে যাতায়াত করছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি দ্রুত সেতু নির্মাণ স্থানীয়দের মতে, তিতাস নদীর উপর একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে দুই উপজেলার প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। এতে নবীনগরের অন্তত ১৭ হাজার মানুষ কম সময়ে ঢাকা যেতে পারবে। এলাকাবাসী দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেছেন, বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তাদের দাবি, প্রশাসনের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে দ্রুত সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ দূর হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি হবে।
নতুন কমিটি ঘোষণা, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজের প্রতিশ্রুতি: মাহবুবুর রহমান
সোহাইল আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার:
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উদ্যোগে মাওলাগঞ্জ বাজার অডিটোরিয়ামে এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। মাওলানা জুবায়ের আহমেদ ও মাওলানা নুরুদ্দিনের সঞ্চলনায় সভাপতিত্বে করেন মোহম্মদ শামসুল হক (সুমন)
মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ছাত্র তরুণরা ধ্বংসের মুখে থাকা বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ার সুযোগ দিয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। মতপার্থক্য নিয়েই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে সবাইকে।’
তিনি আরও বলেন আমাদের লক্ষ্য একটাই, বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা। যেখানে জুলুম, দুর্নীতি, অন্যায় থাকবে না। থাকবে শান্তি, সমৃদ্ধি, মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সাম্য। সেই রাষ্ট্র হবে ইসলামি মূল্যবোধের রাষ্ট্র। এ জন্য আমরা ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়াস নিয়েছি। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী দিনে দেশ গড়ার কাজ করতে চাই। ইসলামের পক্ষে বৃহত্তর ঐক্যের জন্য এই প্রয়াস ইনশা আল্লাহ সফল হবে
সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা গাজী নিয়াজুল করীম, মুফতি মাসুম বিল্লাহ, মাওলানা জাকির হোসাইন,হাফেজ কারী মোহাম্মদ আলী, মুফতি সাইদুর ইসলাম আল মাদানী, মাওলানা জমির হোসাইন সিদ্দিকী, আলমগীর হোসাইন (বাদল), মুফতি মাসুম বিল্লাহ ফরিদী আরও উপস্থিত ছিলেন হাফেজ আশ্রাফ আলী, মুফতি শেখ সাদী বিন আব্দুল মজীদ, মুফতি মোবারক উল্লাহ সিরাজী, শফিক মিয়া প্রমূখ।
পরে সম্মেলন শেষে দুই (২০২৫-২৬) বছর মেয়াদী নতুন কমিটি গঠন করা হয় সভাপতি মো: শামসুল হক সুমন, সহসভাপতি মো: জুবায়ের আহমেদ, সহসভাপতি মুফতি সাইদুল ইসলাম, সেক্রেটারি মওলানা জাকির হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নুরুদ্দিন।
নতুন কোনো ফ্যাসিবাদকে বাংলাদেশের জনগণ রাজনীতি করতে দেবে না : মুহাম্মদ শাহজাহান
নিউজ ডেস্ক :
রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত হুঙ্কার দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে ছাত্রজনতা : শাহজাহান চৌধুরী
চকরিয়া টাইমস :
২০২৪ সালের ৩৬ জুলাইয়ে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত হুঙ্কার দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে ছাত্রজনতা। সেদিন বাংলাদেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতে রাস্তায় নেমে এসেছিল।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এসব কথা বলেন।
‘জনকল্যাণমূখী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে চারিত্রিক সংশোধন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার অপরিহার্য’
হালিশহর থানা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে মুহাম্মদ শাহজাহান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার। সেই সাথে তাদের দলীয় অঙ্গসংগঠনগুলো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলে মত্ত ছিল। বিশ্বের বুকে এ দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নেয়ার জন্য আমাদেরকে কাজ করতে হবে। জনকল্যাণমূখী এক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে চারিত্রিক সংশোধন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার অপরিহার্য।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার উদ্যোগে শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগ জামায়াত-শিবির ও জনতার উপর চরম নির্যাতন হামলা মামলা চালিয়েছে। নির্যাতিত নিরীহ জনতার ঘর-বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। খুন, গুম ও অপহরণ চালিয়ে গোটা দেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছে। যারা আল্লাহর কাছে শহীদি তামান্না কামনা করে তাদেরকে জেল জুলুম চালিয়ে দমিয়ে রাখা যায় না। একটি আদর্শ আন্দোলনের নেতা-কর্মীকে হত্যা করা যায় কিন্তু আদর্শকে হত্যা করা যায় না। হত্যা জেল জুলুম নির্যাতন চালিয়ে ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করা যায় না।
হালিশহর থানা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরে জাহান সিরাজী সবুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মী সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগরী নায়েবে আমীর বিশিষ্ট পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, নগর সহকারী সেক্রেটারি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী। অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবির মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, জামায়াত নেতা অধ্যাপক মুহাম্মদ নুর, বন্দর থানা আমীর মাহমুদুল আলম, সদরঘাট থানা আমীর আব্দুল গফুর, হালিশহর থানা নায়েবে আমীর ড. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, জামায়াত নেতা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মঞ্জুরুল হক, শহীদ আবিদ বিন ইসলামের পিতা এডভোকেট মনিরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা আবু শাহাদাত সায়েম, আব্দুল ফাত্তাহ উসামা প্রমুখ।
নগর আমীর শাহজাহান চৌধুরী বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান- আমরা সবাই এ দেশের গর্বিত নাগরিক। আমরা সবাইকে নিয়ে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো দরিদ্র থাকবে না, ক্ষুধামুক্ত, ভয়ভীতিমুক্ত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চাই। বর্তমানে দেশে একটি শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই শান্তির পরিবেশকে অরাজকতার পরিবেশে সৃষ্টি করার জন্য একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। এই অরাজকতার পরিবেশ যাতে তৈরি করতে না পারে, এ জন্য আমাদের সব কর্মীকে একতাবদ্ধ থেকে এই অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে।
বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সকল সামর্থবানদের নৈতিক দায়িত্ব : মুহাম্মদ শাহজাহান
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, বানভাসী মানুষগুলো আজ বড় অসহায়। বহু কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছে বন্যা দুর্গতরা। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সহানুভূতি প্রকাশ করা সামর্থবানদের নৈতিক দায়িত্ব।
তিনি বলেন, যে কোন দুর্যোগে মানবিক সহায়তায় জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরও পিছিয়ে নেই। তার প্রমাণ আজকের এই ত্রাণ সহায়তা। জামায়াত-শিবিরের পাশাপাশি সরকারকে সহযোগিতায় বন্যার্ত মানুষের পাশে সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত।
সোমবার (২৬ আগস্ট) ফেনীতে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তরের ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ সামগ্রি বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এসময় ফেনী জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শামসুদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এ.টি.এম মিছবাউল হক, মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফখরুল ইমলাম, আইআইইউসি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহাম্মদ হাসনাইন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাঙ্গামাটি লংদুতে বজ্রপাতে নিহত পাঁচ পরিবারে আমীরে জামায়াতের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা
বার্তা পরিবেশক :
পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির দূর্গম এলাকা লংগদু উপজেলাধীন ভাসান্যাদম ও করল্যাছড়িতে বজ্রপাতে মারা যাওয়া ৫জনের পরিবারের মাঝে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মানবিক নেতা ডাঃ শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২৯জুন) জামায়াতে ইসলামী লংগদু উপজেলা আমীর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তিনি আমীরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে প্রতি পরিবারের স্বজনদের হাতে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ আবদুল আলীম। এসময় জেলা সহকারী সেক্রেটারি মনছুরুল হক, জেলা প্রচার সেক্রেটারি এডভোকেট হারুনুর রশীদ, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা এ.এল.এম সিরাজুল ইসলাম, জামায়াত নেতা খন্দকার মতিউর রহমান, ডা. ছিদ্দিকুর রহমান খোকনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা রচনা লিখন প্রতিযোগিতায় চকরিয়ার রাইসা বিভাগ চ্যাম্পিয়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪ এর নির্ধারিত বাংলা রচনা লিখন প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চকরিয়া উপজেলার বহদ্দারকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী আফিফা আফতাব রাইসা। এরই মধ্যদিয়ে কৃতি শিক্ষার্থী রাইসা জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, মেধাবি শিক্ষার্থী রাইসা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ নির্ধারিত রচনা প্রতিযোগিতায় ওই বিদ্যালয় থেকে অংশ গ্রহণ করে চকরিয়া উপজেলা, কক্সবাজার জেলা পর্যায়ে প্রথম হয়। পরে চকরিয়ার মেয়ে কক্সবাজার জেলার প্রতিনিধিত্ব করতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে রাইসা। সেখানেও বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ক্ষুদে রাইসা কৃতীত্বের সাক্ষর রাখে ধারাবাহিকভাবে। এরই ধারাবাহিকতায় চকরিয়ার মেয়ে আফিফা আফতাব রাইসা এবার অংশগ্রহণ করবে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায়। সাফল্যের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলে তার জন্য চকরিয়া তথা জেলাবাসীর দোয়া কামনা করেন।
দেশ ও জাতির কল্যাণে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই : মহাসচিব কামরুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগীয় মতবিনিময় ও বর্ধিত সভা শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকাল পাঁচটায় কক্সবাজার শহরের ডিঙ্গি রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মো. খাইরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কেফায়েত উল্লাহ কায়সারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. কামরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৪ এপিবিএনের কমান্ডার ডিআইজি মোহাম্মদ ইকবাল ও এপিবিএনের কমান্ডার ডিআইজি মোঃ আমির জাফর (বিপিএম)।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শাহজাহান মোল্লা, মমিনুর রশিদ শাহীন, প্রেসিডিয়াম সদস্য কক্সবাজার জেলা কমিটির সভাপতি কামাল হোসেন আজাদ, যুগ্ম মহাসচিব মো. আব্দুল মজিদ, কে.এম রুবেল, কাজী মাহমুদুল হাসান, সালাউদ্দিন আহমেদ, জনকল্যাণ সচিব কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জসীম উদ্দিন, তথ্য ও প্রযুক্তি সচিব মো. আবেদ আলী ও কক্সবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. উসমান গনি ইলি।
এসময় চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সভাপতি এস.এম খালেক মুসা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোবারক হোসেন, কক্সবাজার জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মো. নুরুল আমিন হেলালী, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাশেদ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক ছৈয়দ আমিন, ঈদগাঁও উপজেলা শাখার সভাপতি শেফায়েল উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি জামাল হোছাইন, সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল শাহেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন টিপু, অর্থ সম্পাদক রুহুল কাদের, সংবাদকর্মী ইমন উদ্দিন ফারুক, ফাহিম আবিদ, সুমন, আবছার, আশিকসহ বিভিন্ন উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাথে জড়িত সকল সংবাদকর্মীকে সৎ ও দক্ষ গণমাধ্যমকর্মী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে পিআইবিসহ গুরুত্বপূর্ণ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, অনৈক্যের কারণে আজ সাংবাদিকরা নির্যাতিত হচ্ছে। দেশের সর্বত্রই সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকারীরা তৎপর। সাময়িক স্বার্থ হাসিলের জন্য কুচক্রী মহল এসবে ইন্দন যোগাচ্ছে। বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করে জাতির কাছে মুখোশ উন্মোচন করে দিতে হবে। তাই দলমত নির্বিশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।
একজন সৎ সাংবাদিকের কোন বন্ধু নেই উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সুবিধা বঞ্চিত প্রকৃত সংবাদকর্মীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সামর্থের আলোকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে থেকে এর প্রতিবাদে সোচ্চার ভূমিকাসহ ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে মতপ্রকাশ করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
সভা থেকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. কামরুল ইসলাম কক্সবাজার জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মো. নুরুল আমিন হেলালীকে সভাপতি পদে মনোনীত করে নতুন সভাপতি হিসেবে নাম ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, এরপূর্বে জেলা কমিটির আগের সভাপতি কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক কামাল হোসেন আজাদকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটিতে সহ-সভাপতি মনোনীত করা হয়।
নিজগ্রাম বাঁশখালীতেই শায়িত হলেন বারবাকিয়ার জামাতা প্রফেসর ড. রফিকুল আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আধ্যাত্মিক সাধক সর্বজন শ্রদ্ধেয় মাওলানা বদিউল আলমের বড় জামাতা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের প্রফেসর সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডক্টর এস.এম রফিকুল আলমের নামাযে জানাযা সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩অক্টোবর) দুপুর দুইটায় মরহুম প্রফেসরের নিজ গ্রামেরবাড়ি পেকুয়া উপজেলার পাশ্ববর্তী উপজেলা বাঁশখালীর শীলকূপে খতিমা পুকুরপাড় স্থানীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাযে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মরহুমের শ্বাশুর বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেমেদ্বীন মাওলানা বদিউল আলম।
বিশাল নামাযে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন বাঁশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী মুহাম্মদ গালিব সাদলী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, পৌর মেয়র এডভোকেট তোফায়েল বিন হোসেন, বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ডক্টর প্রফেসর গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, মরহুমের কর্মস্থল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের সহকর্মী-শিক্ষার্থী এবং উপজেলার বিশিষ্টজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের লাশ চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রফেসর ডক্টর এস.এম রফিকুল আলম সোমবার (২অক্টোবর) চট্টগ্রামস্থ নিজবাসায় ভোরে ফজরের নামাযরত অবস্থায় হঠাৎ ব্রেইন স্ট্রোক করেন। পরে বিষয়টি পরিবারের লোকজন অবগত হলে তাঁকে চট্টগ্রাম শহরের বেসরকারি ক্লিনিক ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে কুমিল্লা ইস্টার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে স্ত্রী, চার ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।









