Showing posts with label মুক্তমত. Show all posts
Showing posts with label মুক্তমত. Show all posts
কক্সবাজারে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন

কক্সবাজারে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন

চকরিয়া টাইমস:

সারাদেশের ন্যায় সচেতন গ্রাহক সমাজ কক্সবাজারের ব্যানারে কক্সবাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক সংলগ্ন ইসলামী ব্যাংকের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শতশত ব্যাংকের গ্রাহক অংশ করেন।
মানববন্ধনের সমা‌বে‌শে বক্তব্য রাখেন ব্যাবসায়ী জসিম উদ্দিন, এম. মোজাম্মেল হক, ইন্জিনিয়ার মোতাহের হোসাইন, মুহাম্মাদ নুরুল আমিন, মাওলানা মোজাহের, মাওলানা হাফেজ ফরিদুল হক, মাওলানা আবুল কাসেম, মনসুর আলমসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন হস্তক্ষেপে দেশের ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে ইসলামী ব্যাংকের স্বকীয়তা ও কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে শুধু ব্যাংকটির স্বাভাবিক কার্যক্রমই ব্যাহত হচ্ছে না, দেশের অর্থনীতি ও লাখো গ্রাহকের আমানতের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, পরিচালনা পর্ষদে সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগ নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে তারা নিয়োগ বাতিল, ব্যাংকের পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সাবেক এমডিকে পুনর্বহালের দাবি জানান। পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রাখা, গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।
বিসিসিপি’র বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

বিসিসিপি’র বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

চকরিয়া টাইমস: 

কিশোর-কিশোরী, নারী এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে| এতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে চূড়ান্তপর্বে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠকে হারিয়ে চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়| 

সোমবার (১১ মে) চকরিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উইমেন ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড রেসিলিয়েন্ট সোসাইটি (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস& (বিসিসিপি)’র আয়োজনে এ প্রতিযোযগিতা সম্পন্ন হয়| 

প্রতিযোগিতার মডারেটর চকরিয়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রতন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম| বিশেষ অতিথি ছিলেন আয়োজক সংস্থা বিসিসিপি’র পরিচালক ও প্রধান  নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ শাহজাহান| 

প্রতিযোগিতায় বিচারকের  দায়িত্ব পালন করেন চকরিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাকেরা শরীফ, ইনফরমেশন সার্ভিস অফিসার রুমানা রেজভিন চৌধুরী ও চকরিয়া ইউআইটিআরসিই মোহাম্মদ নোমান| অতিথিরা সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে বিতর্কে অংশগ্রহণকারী বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে ক্রেস্টসহ বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেন| 

“জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে  নারী ও কিশোরীরা পুরুষদের তুলনায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ” এবং “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় নারীর নেতৃত্ব অপরিহার্য” এই দুটি বিষয়ের উপর বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়, চকরিয়া গ্রামার স্কুল, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ ও চকরিয়া সরকারি  বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন|

উল্লেখ্য, এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তন  কীভাবে নারী, কিশোরী  এবং জেন্ডার বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জীবিকাকে প্রভাবিত করে এবং এর প্রতিকূল প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অংশীজন ও কমিউনিটির ভূমিকা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা|


সম্মিলিত ইসলামী ব‍্যাংকে এমডি নিয়োগ সাক্ষাৎকার গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রতিবাদ

সম্মিলিত ইসলামী ব‍্যাংকে এমডি নিয়োগ সাক্ষাৎকার গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রতিবাদ

চকরিয়া টাইমস:


গত ৬ মে ‘২০২৬ তারিখে কয়েকটি পত্রিকায় ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’তে ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাক্ষাৎকার সংক্রান্ত প্রকাশিত একটি রিপোর্ট আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে ।স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’ ও আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট আমার কাছে একপেশে, পক্ষপাতদুষ্ট, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হয়েছে ।
আমাকে জড়িয়ে যেভাবে রিপোর্ট ছাপানো হয়েছে তা মোটেও তথ্যনির্ভর নয় ! বরং মনগড়া অসত্য তথ্য উপাত্ত দিয়ে আমার কষ্টার্জিত সুনাম বিনষ্টের চেষ্টা করা হয়েছে । সঙ্গত কারণে জন বিভ্রান্তি দূরীকরণে দু’একটি বিষয়ে আমার অবস্থান জ্ঞাত করা প্রয়োজন হয়েছে পড়েছে ।
প্রথমতঃ প্রস্তাবিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-তে এমডি নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হলে অন্যদের মতো আমিও আবেদন করি । কতৃপক্ষ ৬ মে ‘ ২০২৬ তারিখ ছয়জনের সাক্ষাৎকার নেয় বাংলাদেশ ব্যাংকে । কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে আমাকে টার্গেট করে অসত্য তথ্য দিয়ে যেভাবে রিপোর্ট ছাপানো হয়েছে তা ব্যক্তির চরিত্র হননের নামান্তর ।
আমি এসআইবি পিএলসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করি ২০২১ সালের ২১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত । সত্য উচ্চারণ করতে আমার দ্বিধা নেই যে, তৎসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক প্রদত্ত বোর্ড চেয়ারম্যান মহোদয় আমার সময়কার কাজের প্রশংসা করে , তাঁদের কথিত নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের স্বার্থে পদত্যাগের কথা জানালে আমি পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর’ ২০২৪ তারিখ পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিই। যদিও ম্যানেজিং ডিরেক্টরের পদত্যাগ গ্রহণ করা নাকরার এখতিয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের ! বোর্ডের হস্তক্ষেপ এখানে কাম্য নয় ।পরবর্তিতে আমি তৎকালীন গভর্নর জনাব আহসান এইচ মনসুর এর সাথে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে চেয়ারম্যানের অনধিকার চর্চা ও জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার বিষয়টি লিখিত নালিশ করি ।
এদিকে ব্যাংকের বোর্ডের ৫ সেপ্টেম্বর ‘২০২৪ তারিখ অনুষ্ঠিত সভায় পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার সুপারিশ করে ।কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণে প্রায় বিশ পঁচিশ দিন সময়ক্ষেপন করে । বাংলাদেশ ব্যাংক অবশ্য পদত্যাগ পত্রটি পাবার কয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন করে ২১ অক্টোবর’২০২৪ তারিখ ব্যাংকে জানিয়ে দেয় । কিন্তু ব্যাংক কতৃপক্ষ পদত্যাগ অনুমোদনের বিষয় আমাকে অবহিত করে ৪ জুন ‘২০২৫ তারিখ এক পত্রের মাধ্যমে অর্থাৎ পদত্যাগের প্রায় দশ মাস পরে । এই অন্যায় অপেশাদারিত্ব আচরণের কারণে ব্যক্তিগতভাবে আমি, সামগ্রিকভাবে ব্যাংক অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ।একজন সুনাগরিক হিসেবে ৩৪ বছরের ব্যংকিং অভিজ্ঞতা নিয়ে এমডি পদে আবেদন করতে বাধা কোথায় ? স্বার্থান্বেষী মহলের এতে গাত্রদাহ হবার কারণ কি ? আমিতো নিয়ম ও আইনানুগভাবে চাকুরীর আবেদন করতে পারি ।
দ্বিতীয়তঃ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ওয়েষ্টিনে অনুষ্ঠিত বিশেষ বিশেষ মিটিং এর কথা বলা হচ্ছে তার সাথে আমার কোনরূপ সংশ্লিষ্টতা নেই ।তখন আমি ইসলামী ব্যাংকে চাকুরীরত । আমি এসআইবিএ পেএলসি -র এমডি-র দায়িত্ব গ্রহণ করি ২০২১ সালের ডিসেম্বরের প্রায় সমাপ্তিতে । সুতরাং ২০১৭ সালে বোর্ড বা মালিকানা পরিবর্তনের সময় আমি এমডি থাকার যে দাবী করা হয়েছে তা একেবারেই অসত্য ! আমার ক্ষতিসাধনের জন্য এমন জঘন্য মিথ্যচার করা হয়েছে । ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে এই রিপোর্ট বানানো হয়েছে ।
তৃতীয়ত : ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালনকালে প্রায় সকল খাতে ব্যাংকের অবস্থা সুদৃঢ় ছিল । রেমিটেন্স আহরণে ব্যাংকে অবস্থান ২য় তে উন্নীত হয়েছিল । শ্রেণীকৃত বিনিয়োগ ৪.৭% এ নেমে এসেছিল । প্রায় বিশটি নতুন ডেপুজিট ও বিনিয়োগ প্রোডাক্ট চালু করা হয়েছিল যা বাজারে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম । আমি ব্যাংক ত্যাগ করার পর সকল পর্যায়ে পজিশন অবনতি হয়েছে ।
আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই , চাকুরীর চৌত্রিশ বছরের জীবনে নীতি নৈতিকতার সাথে আপোষ করিনি । যতটুকু সম্ভব নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করেছি । আমার জীবনে কোন এক্সিলারেট প্রমোশনের ইতিহাস নেই ! প্রতিটি টেবিলে টেবিলে কাজ করে ক্যারিয়ার গড়তে হয়েছে আমাকে।
এমতাবস্থায় ,আমার বক্তব্য পত্রিকার প্রথম পৃষ্টায় জনগণের দৃষ্টি পাবার মতো জায়গায় ছাপানোর অনুরোধ করছি যাতে জনমনে বিভ্রান্তি দূর হয় এবং একজন ব্যক্তি হিসেবে আমার অধিকার কিছুটা হলেও ফিরে পাই । সাংবাদিকরা জাতির দর্পণ । সত্য প্রতিষ্ঠায় আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
জাফর আলম
সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর
এসআইবি পিএলসি
তাং - ১০ মে ‘ ২০২৬
হাদির ইনসাফপূর্ণ দেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব আমাদের সকলের: ওমর বিন হাদি

হাদির ইনসাফপূর্ণ দেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব আমাদের সকলের: ওমর বিন হাদি

চকরিয়া টাইমস:

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদি বলেছেন, “আমার ছোট ভাই শরীফ ওসমান বিন হাদি সবসময় বলত ‘আমাকে আল্লাহ রক্ষা করবেন। আমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আল্লাহর। আল্লাহ আমাদের পরিবার-পরিজন ও দেশের ১৮ কোটি মানুষকে নিরাপত্তা দিবেন। আমরা দেশকে আধিপত্যবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য রাজপথে নেমেছিলাম। আমরা শোষণ-জুলুমের অবসান ঘটিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফপূর্ণ দেশ গড়ার জন্য রাজপথে নেমেছি’।”

ওমর বিন হাদি আরও বলেন, “আমার ভাই ওসমান হাদি শাহাদাত বরণ করেছে। ওসমান যে স্বপ্ন দেখত সেই স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। তার অসমাপ্ত বিপ্লব সমাপ্ত করতে এগিয়ে আসার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের পরিবার-পরিজন সকলের কল্যাণের জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করছি।”

তিনি আজ ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইয়ের অকুতোভয় বিপ্লবী যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাৎ উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন।

সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জনাব নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর জনাব মোঃ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চাকসুর সাবেক ভিপি এড. জসিম উদ্দিন সরকার এবং শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদী।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মুসা, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ও এড. ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসাইন, ড. আবদুল মান্নান প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইয়ের অকুতোভয় বিপ্লবী যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদী শির উঁচু করে শহীদ হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। তিনি একজন অত্যন্ত সৌভাগ্যবান শহীদ। তার শাহাদাতের পর দেশবাসী তার অনেক বক্তব্য টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে শোনার সুযোগ পেয়েছেন। তার বক্তব্যে আমরা দেখতে পাই, তিনি বারবার শহীদ হওয়ার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন। আল্লাহ তার শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করেছেন। আজ তার দুনিয়া ও আখিরাতের জীবন স্বার্থক হয়েছে বলে আমরা মনে করি।”

তিনি বলেন, “শহীদ ওসমান হাদির পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন, সৎ জীবন দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছে। তার শাহাদাতের পরে মানুষের মধ্যে যে জোয়ার, জজবা ও আকাক্সক্ষা সৃষ্টি হয়েছে তা এক বিরল ঘটনা। গতকাল তার নামাজে জানাযায় সরকার প্রধান, উপদেষ্টাবৃন্দ এবং দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ যেভাবে অংশগ্রহণ করেছে, তা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। আল্লাহ তার আকাক্সক্ষা পূরণ করে তাকে দুনিয়ায় অতি উঁচু মর্যাদা দিয়েছেন এবং আমরা আশাকরি আখিরাতেও আল্লাহ তাকে অতি উঁচু মর্যাদা দান করবেন। তাকে হারিয়ে তার পরিবার-পরিজন শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন। আল্লাহ তাদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান বিন হাদিকে রাজকীয় মর্যাদা দিয়েছেন। আল্লাহ তার পরিবার-পরিজনকেও দুনিয়ায় বিরাট মর্যাদা দিয়েছেন এবং আমরা আশাকরি আখিরাতেও আল্লাহ তায়ালা বিরাট মর্যাদা দিবেন।”

তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস শহীদ ওসমান হাদির জানাযায় অংশগ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য দেন। কিন্তু ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে কোনো কথাই বলেননি। ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে অবশ্যই বক্তব্য দেয়া উচিত ছিল। আমরা আশাকরি, তিনি এ ব্যাপারে জাতির সামনে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করবেন। দেশবাসীর প্রশ্ন ওসমান বিন হাদীর খুনিরা হামলার ছয় ঘণ্টা পর কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারল? কেন সরকার তাদেরকে গ্রেফতার করতে পারল না? সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা কী করেছে? গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের সহযোগিতাকারী কেউ লুকিয়ে আছে কিনা তা অবশ্যই তদন্ত করে দেখা উচিত। শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।”

ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে হত্যাকারীদের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করার জন্য সরকারকে যে আল্টিমেটাম দিয়েছে তার সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে তিনি বলেন, “অবিলম্বে ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের ব্যাপারে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবি করছি। হাদির জানাযায় অংশগ্রহণ করে প্রধান উপদেষ্টা যে ওয়াদা করেছেন তা অবিলম্বে পূরণ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওসমান হাদি আধিপত্যবাদ মুক্ত স্বাধীন-সার্বভৌম, ইনসাফপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব এখন আমাদের সকলের। এই দায়িত্ব ঐক্যবদ্ধভাবে পালনে এগিয়ে আসার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।”

মাওলানা এটিএম মা’ছুম বলেন, “আল্লাহ তায়ালা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির আশা পূরণ করেছেন। শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে মানুষের সুখ-শান্তিতে বসবাসের উপযোগী একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তার স্বপ্ন- আধিপত্যবাদ মুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি, তাহলেই তার স্বপ্ন স্বার্থক হবে। শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতে অতি উচ্চ মর্যাদা দেয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং শহীদ ওসমান বিন হাদির পরিবার-পরিজনসহ সবাইকে হেফাজত করার জন্য দোয়া করেন।”

আলোচনা শেষে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে ওসমান হাদির শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতে অতি উচ্চ মর্যাদা প্রদান করার জন্য তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬লেনে উন্নীত করার দাবিতে চকরিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬লেনে উন্নীত করার দাবিতে চকরিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল

চকরিয়া টাইমস: 

চকরিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রজনতা। 

রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে চারটায় চকরিয়া উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের ডাক বাংলো চত্বর থেকে শুরু হয়। 

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শ্রেণি পেশার লোকজনের অংশগ্রহণে বিশাল এ মিছিল পৌরশহরের চিরিংগা থানা রাস্তার মাথা এলাকা প্রদক্ষিণ করে জনতা মার্কেট এলাকায় মহাসড়কে ব্যারিকেট দিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। 

সমাবেশে অনিতিবিলম্বে মরণফাঁদ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ৬ লেনে উন্নীত করার দাবি কর্মসূচির একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবদুল মজিদ ও ছাত্রপ্রতিনিধি ইবরাহিম ফারুক সিদ্দিকী। 

এছাড়া সংহতি প্রকাশ করে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন সাংবাদিক শাহরিয়ার মাহমুদ রিয়াদ, সাংবাদিক রুহুল কাদের, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, যুবপ্রতিনিধি মাহমুদুর রহমান সুমন, হাসান কাদের, আলিফুল মতিন আদরসহ সর্বস্তরের জনতা।       


চকরিয়ার দেড় শতাধিক পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে এভার কেয়ার হসপিটালের সায়েন্টিফিক সেমিনার

চকরিয়ার দেড় শতাধিক পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে এভার কেয়ার হসপিটালের সায়েন্টিফিক সেমিনার

শাহজালাল শাহেদ (চকরিয়া টাইমস): 

চকরিয়ার দেড় শতাধিক পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে এভার কেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের আয়োজনে “সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সি ইন আউটরিচ” শীর্ষক সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুর বারোটায় চকরিয়া পৌরশহরের সাম্পান রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি ডাঃ খাইরুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ ছরোয়ার কামালের সঞ্চালনায় শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এভার কেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম।

সেমিনারে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত প্রসঙ্গে গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন এভার কেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের এক্সিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিস বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র কনসালটেন্ট (ভিজিটিং) ডাঃ ঋভুরাজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আজকের চিকিৎসকদের স্বল্প সময়ের তথ্যবহুল সায়েন্টিফিক সেমিনারটি জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে এতদাঞ্চলের রোগির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি উপস্থিত অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের সার্বিক সফলতা এবং সমৃদ্ধি কামনা করে বক্তব্যের ইতি টানেন। 

এভার কেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ মোরশেদের পরিচালনায় পল্লী চিকিৎসক সমিতি চকরিয়া শাখার সহ-সভাপতি ডাঃ আবদুল জলিল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাঈনউদ্দিন সুলতান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ আবদুস সামাদসহ আয়োজক কমিটির সেমিনার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে সমিতিভুক্ত দেড় শতাধিক চিকিৎসকের মাঝে উপহার ও দুপুরের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে সেমিনার সমাপ্ত হয়।

চকরিয়ার খুটাখালীতে গণসংযোগ করেছেন এমপি প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক

চকরিয়ার খুটাখালীতে গণসংযোগ করেছেন এমপি প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক

চকরিয়া টাইমস :

চকরিয়ার খুটাখালীতে গণসংযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।

আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে খুটাখালী স্টেশন থেকে তিনি গণসংযোগ কার্যক্রম শুরু করেন। এরআগে মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে খুটাখালী স্টেশন থেকে ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে বরণ করেন।

জামায়াত নেতা দাঁড়িপাল্লার মার্কার এমপি প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক খুটাখালীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে সর্বস্তরের মানুষের সাথে সালাম ও কুশলাদি বিনিময় এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা জানার চেষ্টা করেন। তিনি ইউনিয়নের বিভিন্নস্থানে অনুষ্ঠিত পথসভায় দাঁড়িপাল্লার মার্কায় ভোট সমর্থন ও দোয়া কামনা করে বক্তব্য রাখেন।

এসময় উপজেলা দক্ষিণ জামায়াতের আমীর মাওলানা মোজাম্মেল হক, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা সৈয়দ করিম, খুটাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রহমানসহ স্থানীয় জামায়াত-শিবির ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে অপপ্রচার: মামুনুর রশিদ নূরীর প্রতিবাদ

ফেসবুকে অপপ্রচার: মামুনুর রশিদ নূরীর প্রতিবাদ

চকরিয়া টাইমস:

বিগত ১৯/১০/২০২৫ইং তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম Malumghat Barta নামের ফেইসবুক আইডি থেকে প্রকাশিত কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর স্ট্যাটাসটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত স্ট্যাটাসটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

পোস্টকৃত স্ট্যাস্টাসে আমি ও আমার ভাইসহ ১৪ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ছবি দিয়ে মানহানিকর পোস্ট করেন। উক্ত স্ট্যাস্টাসে প্রদত্ত যাবতীয় বক্তব্য মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষ বিষয় হলো, লোভের বশবর্তী আসাদুল কবির রানা ও তাঁর সহযোগী দরবেশকাটা নিবাসী রেজাউল করিম পরস্পর যোগসাজশক্রমে শঠ, প্রতারণা, আত্মসাৎ ও জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে আমিসহ ১৪ জনের প্রায় ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে ফেলে। উক্ত টাকার বিষয়ে চেকের মামলা হয়।

বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালত কক্সবাজার এস.টি- ১৪৭১/২০১৯ইং মামলায় বিগত ০৬/০৬/২০২৫ইং তারিখ প্রতারক আসাদুল কবির রানাকে দোষী সাব্যস্থ করিয়া সমমূল্যের অর্থদন্ড এবং ০১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দণ্ডিত আদেশ প্রচার করেন।

বর্তমানে উক্ত প্রতারক, অর্থ আত্মসাৎকারী আসাদুল কবির রানা সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেল হাজতে রয়েছে এবং তার পার্টনার অপর জালিয়তকারী ও প্রতারক ব্যক্তি রেজাউল করিম পলাতক রয়েছে। উক্ত বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে আমি ও আমার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে জালিয়ত চক্রটি Malumghat Barta নামের ফেইসবুক আইডিতে ভুয়া ও মানহানিকর বক্তব্য সম্বলিত স্ট্যাস্টাস প্রদান করে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

পাশাপাশি আমার পরিবার, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। তাছাড়া অপপ্রচারকারীদের এধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার আহ্বান করছি। অন্যথায় মানহানিকর মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানোর দায়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হবো।

প্রতিবাদকারী
মামুনুর রশিদ নূরী
বাসিন্দা
চকরিয়া পৌরসভা।
চকরিয়ার শাহারবিলে চুরি-ছিনতাই রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

চকরিয়ার শাহারবিলে চুরি-ছিনতাই রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

চকরিয়া টাইমস: 

চকরিয়ার শাহারবিলে রেললাইনসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে কাজলি বাপেরচর এলাকায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। 

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর আয়োজিত মানববন্ধনে শতশত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন। 

মানববন্ধনের সমাবেশে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাসী হামলাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। এতে জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয় ভুক্তভোগি জনসাধারণ দ্রুত এসব অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। 

মানববন্ধনের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শাহারবিলের সাবেক এমইউপি আলহাজ্ব মোজাহের আহমদ, রামপুর দারুল হিকমাহ একাডেমির সুপার মো. টিপু সুলতান, স্থানীয় বাসিন্দা সরওয়ার কামাল, রুহুল কাদের, মৌলভী নুরুল আমিন, শহিদুল ইসলাম ও মিজবাহ।

সমাবেশে ভুক্তভোগিরা আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ এই এলাকাকে অশান্ত করতে একটি চিহ্নিত চক্র দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়াভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত করে আসছে। এতে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিরাজ করছে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। প্রশাসন যদি এসব বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এলাকার সাধারণ মানুষ এহেন পরিস্থিতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেনা। তাই শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 


বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য ‘পিআর’ পদ্ধতি’র বিকল্প নেই : কক্সবাজারে গোলটেবিল বৈঠক

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য ‘পিআর’ পদ্ধতি’র বিকল্প নেই : কক্সবাজারে গোলটেবিল বৈঠক

চকরিয়া টাইমস :

জুলাই সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনসহ জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত পাঁচ দফা দাবিতে ১১ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল সড়কস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা সভাপতি মাওলানা আমিরুল ইসলাম মীর, খেলাফত মজলিস কক্সবাজার জেলা সভাপতি মাওলানা আবু মুছা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালেক নিজামী, খেলাফত মজলিস জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জুনায়েদ মাহমুদ, নেজাম ইসলাম কক্সবাজার জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নূরুল হক আরমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি জেলা সংগঠক অধ্যাপক ওমর ফারুক, জেলা যুব ইসলামী আন্দোলন সভাপতি নূরুল ইসলাম আজিজী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জাফর উল্লাহ ইসলামাবাদী, অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী, কক্সবাজার ৩ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর, শ্রমিক নেতা মাওলানা মুহাম্মদ মুহসীন, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি রিয়াজ মোহাম্মদ শাকিল।
জেলা সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক জসিম উদ্দীন, অধ্যাপক নূরুল আজিম, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি কামাল হোসেন আজাদ, সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মোহাম্মদ হাশিম, দৈনিক নয়া দিগন্ত কক্সবাজার অফিস প্রধান জিএএম আশিক উল্লাহ, আমার দেশ প্রতিনিধি আনছার হোসেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা সহ-সভাপতি ছৈয়দুল হক সিকদার।
উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি আল আমীন মু. সিরাজুল ইসলাম, জেলা অফিস সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, কক্সবাজার সদর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক খুরশিদ আলম আনসারী,
ইসলামী আন্দোলন কক্সবাজার জেলা প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক মোহাম্মদ জুনাইদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আবু নাসের, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোঃ ইসমাইল, মাওলানা শামসুল হক আজিজী, মাওলানা শাহজাহান আব্দুল্লাহ, মাওলানা মোস্তাফিজুল হক চৌধুরী, হাফিজ মাওলানা মুহাম্মদ ওমর ফারুক, দৈনিক হিমছড়ি সম্পাদক হাসানুর রশীদ, সাংবাদিক হুমায়ূন সিকদার, শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দরবেশ আলী মুহাম্মদ আরমান, সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ আবদুর রশীদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ।
বৈঠকে বক্তারা বলেছেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের মানুষ সাড়ে পনেরো বছরে পর পর তিনটি নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে পারেনি। প্রচলিত পদ্ধতির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আ'লীগ জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে দিনের ভোট রাতে এবং আমি ডামি মার্কা নির্বাচন করেছে। যার কারণে সুশাসনের পরিবর্তে দেশবাসী সাড়ে পনেরো বছর ফ্যাসিবাদী শাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে পড়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশ ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ।
দুই হাজার শহীদের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশ আবারো পুরানো কাঠামোতে ফিরে যাবে এটা দেশবাসী প্রত্যাশা করে না। তাই জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য ইসলামী ও সমমনা দলগুলো 'পিআর' পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা অবিলম্বে জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি এবং সেই আলোকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় দেশে আবারো অবিশ্বাস, আস্থাহীনতা এবং নতুন ফ্যাসিবাদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল প্রশাসন, সচিবালয়, পুলিশসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে নিজস্ব বলয় তৈরি করে প্রভাব বিস্তারের আলামত পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই অবস্থায় নির্বাচন হলে সকল দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া নির্বাচন হলে দেশে অরাজকতা বৃদ্ধি পাবে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হবে যার কারণে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে যা আমরা কখনোই কামনা করি না। সুতরাং ক্ষমতার মোহ এবং দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির উর্ধ্বে উঠে দেশের সংকট সমাধানে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। বক্তারা আরো বলেন, আমরা পরিলক্ষিত করছি কক্সবাজার জেলাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে আওয়ামী চক্রের চিহ্নিত অপরাধী, সন্ত্রাসী ও ভোট ডাকাতরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পরিকল্পিত খুন-খারাবি করে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে, প্রশাসনের ব্যর্থতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা বড় ধরনের অঘটন ঘটানোর চেষ্টা চালাবে আমরা চিহ্নিত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত এবং আ'লীগের দোসর জাতীয় পার্টির রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত পাঁচ দফা দাবি আজ গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। আমরা সকল ইসলামী দল দেশব্যাপী একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে বদ্ধপরিকর।
দেশের মানুষ অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের কোন বিকল্প নেই। জন আকাঙ্ক্ষার সরকার যদি জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে ব্যর্থ হয় তাহলে দেশের মানুষ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
চকরিয়ায় “প্রবীণ পরিচর্যা ও সুরক্ষায় সামাজিক অঙ্গীকার” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

চকরিয়ায় “প্রবীণ পরিচর্যা ও সুরক্ষায় সামাজিক অঙ্গীকার” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

চকরিয়া টাইমস:

চকরিয়ায় “প্রবীণ পরিচর্যা ও সুরক্ষায় সামাজিক অঙ্গীকার” শীর্ষক এক সেমিনার-২০২৫ উপজেলা পরিষদের মোহনা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকাল পাঁচটায় চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান চকরিয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোহাম্মদ তৈয়ব আলীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় সমাজসেবা একাডেমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিগরপানখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মুজিবুল হক বিএসসি ও চকরিয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রফেসর মুজিবুল হক রতন।

এসময় চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জুবাইদুল হক, চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার সালেহ আহমদ, সদস্য মাস্টার আবুল কালাম, মাস্টার রাম প্রসাদ, হাজী রুকুন উদ্দিন, আলহাজ্ব এস.জি.এম আফজাল হোসেন (কাউসার)সহ প্রবীণ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রবীণ পরিচর্যায় ভূমিকা পালন করায় মাস্টার সালেহ আহমদ ও উম্মে হাবিবার হাতে মমতাময়ী সম্মাননা তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

আবদুল্লাহ আল ফারুক একজন কর্মস্পৃহা সম্পন্ন তরুণ জননেতা : মুসা বিপ্লব

আবদুল্লাহ আল ফারুক একজন কর্মস্পৃহা সম্পন্ন তরুণ জননেতা : মুসা বিপ্লব

 চকরিয়া টাইমস : 

মসজিদের ইমাম একজন দুনিয়া সেরা আলেম, সমাজে ও দেশে রয়েছে ব্যাপক খ্যাতি, তাকে জাতী প্রত্যাশা পূরণে প্রতি নিয়তে চলে যেতে হয়, গ্রামে গঞ্জে, শহরে নগরে এবং দুর দুরান্তে। এবার বলেন তাকে দিয়ে কি নিদিষ্ট কোনো মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ইমামতি করা সম্ভব? অবশ্য সম্ভব না। কারণ দেশ ও জাতীর বৃহত্তর স্বার্থে তার চাহিদা রয়েছে বেশ। তাই তাকে জাতীর বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায় সময় দিতে হবে। এটার বিবেচনায় সেই মহান ব্যক্তির জন্য শুভকামনা। 

অতপর, চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনে এমপি হিসেবে জাতীয় নেতার প্রয়োজন নাই। কারণ জাতীয় নেতাকে মন্ত্রণালয় দেখতে হবে, দেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি সামাল দিতে হবে। নিজে এলাকার কোনো নাগরিকের জন্য, ওই জাতীয় নেতা মানের এমপির স্বাক্ষর কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজন হয় তাহলে ওনাকে এলাকার কেটে খাওয়া নাগরিকরা কোথায় খুঁজে পাবে? ওনি থাকবে ঢাকার উত্তরা, বসুন্ধরা, গুলোশান, নয়াপল্টন কিংবা দেশের বাইরে চীন, নেপাল, ইন্ডিয়া, লন্ডন বা আমেরিকা ইত্যাদি জায়গায়।  যদি কোনো সহযোগিতার নেতা সহযোগিতা নিয়ে জাতীয় নেতার সান্নিধ্য পেতে চাই, তাহলে চাঁদা ঘুষ লবিং বা অন্য কোনো বিভ্রান্তকর পরিস্থিতির শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

সুতরাং এমন নেতা আমরা চাই, যাকে প্রতিদিন খুঁজে পাওয়া যাবে জনগণ। যিনি থাকবেন তার নির্বাচনী এলাকার নাগরিকদের সাথে। যার সম্পূর্ণ কর্মতৎপরতার সেবা পাবে চকরিয়া পেকুয়ার সবস্তরের জন সাধারণ। 

এমন একজন নেতার নাম আবদুল্লাহ আল ফারুক, তিনি তরুণ এক জননেতা। তরুণ হওয়ার কারণে তার রয়েছে যথেষ্ট কর্মস্পৃহা বা কাজের গতি । তিনি ছাত্রজীবন থেকেই চকরিয়া পেকুয়ার মানুষের সাথে মিশে মিশে বড় হয়েছে। তিনি মানুষের যে কোনো দুর্যোগে সবার আগে ছুটে যান যেমন অগ্নিকাণ্ড, বন্যা বা দুর্ঘটনা ইত্যাদি। ছাত্রজীবন থেকেই মেধা ও প্রজ্ঞার সাথে রাজনীতি করে যাচ্ছেন। তিনি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তর ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মতো একটি সংগঠনের কর্মী বা নেতা হিসেবে  স্কুল, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষে জেলা শিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে ছাত্রজীবন শেষ করেন। বর্তমানে মানবতা মুক্তি আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কক্সবাজার শহর শাখার আমীরের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি জেলা, উপজেলা ও জাতীয় পর্যায়ে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছেন। 

তিনি তার সমস্ত শক্তি দিয়ে চকরিয়া পেকুয়ার জনগণের উন্নয়ন করতে নিজে বিলিয়ে দিয়েছে। সর্বশ্রেনীর মানুষের দুঃখ কষ্টে তিনি ছুটে যান। তিনি প্রতিদিন চকরিয়া পেকুয়ার কোনো না কোনো এলাকায় অবস্থা করেন, মানুষের দুঃখের কথা শুনেন এবং সমস্যা চিহ্নিত করে তা অনুযায়ী সাধ্যমতো ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে যাচ্ছেন। 

পরিশেষে বলতে পারি, চকরিয়া পেকুয়ার মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা রাখার মতো কর্মস্পৃহা সম্পন্ন তরুণ জননেতার নাম আব্দুল্লাহ আল ফারুক। তিনি জনতার পাশে থাকবেন, এবং জনতা তাঁকেই সবসময় পাশে পাবেন।

মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী একজন ডাইনামিক লিডার : মুসা বিপ্লব

মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী একজন ডাইনামিক লিডার : মুসা বিপ্লব

চকরিয়া টাইমস : 

একজন জননন্দিত চেয়ারম্যান, খ্যাতিমান ওয়ায়েজিন, দক্ষতা সম্পন্ন প্রিন্সিপ্যাল, কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর, গনমুখী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীকে এমপি প্রার্থী করা হয়েছে। যোগ্যতা ও দক্ষতার দিক থেকে তুলনা মুলক ভাবে ওনার কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি টানা ৪বারের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান: টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের থেকে নির্বাচন করে টানা ৪বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ১ম বার প্রায় এক হাজার একশ (১১০০) ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, ২য় বার প্রায় দুই হাজার একশ (২১০০) ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, ৩য় বার প্রায় তিন হাজার একশ (৩১০০) ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, এবং ৪র্থ বার প্রায় চার হাজার একশ (৪১০০) ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
ওনি চেয়ারম্যান হিসেবে মানুষের দ্বারে দ্বারে ওনার সেবা সমুহ পৌঁছাতে নিশ্চিত করেন। এমন কি চেয়ারম্যান যে সিল মারা হয় সে সিলটি তাঁর নিজে পকেটে পকেটে রাখেন। কোথাও যদি জানাযায়ও যান সেইখানে লোক জনের প্রয়োজনীয় কাগজে সিল স্বাক্ষর দিয়ে থাকেন।

তিনি একজন ওয়ায়েজিন: আমাদের দেশে বর্ষ মৌসুম কেটে গেলে যখন মাঠ শুকনো থাকে তখন গ্রামে গঞ্জে ও শহরে নগরে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল, সিরাতুন্নী (সঃ) মাহফিল, মিলাদুন্নী (সঃ) মাহফিল ও ইসলামী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সেখানে দেশের খ্যাতিমান ইসলামিক বক্তারা ওয়াজ করেন। মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী তাদেরই একজন দেশ বরণ্য আলেম। যার ওয়াজের দাওয়াত কক্সবাজার- চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি একজন সুবক্তা।
তিনি একজন প্রিন্সিপ্যাল: টেকনাফ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হ্নীলা শাহ মজিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার প্রিন্সিপ্যাল। তার হাতে গড়া হাজারো ছাত্র দেশের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত আছে। তাঁর হাতে গড়া হাজারো আলেমে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলেম তৈরিতে নিয়োজিত রয়েছে। তার তৈরি করা ওয়ায়েজ বর্তমানে সারাদেশে কোরআনের বিপ্লবী দাওয়াতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
তিনি জামায়াতে ইসলামীর কক্সবাজার জেলা আমীর: বর্তমান বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ইসলামী দল ও অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কক্সবাজার জেলা শাখার আমীরের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি টেকনাফের উপজেলা আমীর ছিলেন, পরে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ছিলেন। তার দক্ষতা ও যোগ্যতার কারণে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সর্বচ্ছো শপথের জনশক্তি রুকনরা প্রত্যক্ষ ভোটে ২০২০ সালে ওনাকে জেলা আমীর হিসেবে নির্বাচিত করেন।
ওনার এমন একনিষ্ঠ দক্ষতা, যোগ্যতা ও সততাকে গুরুত্ব দিয়ে নিজের দল জামায়াতে ইসলামী তাঁকে (কক্সবাজার-৪) উখিয়া-টেকনাফ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসাবে চুড়ান্ত করেন। অথচ একই আসনে জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক ছাত্রশিবিরে কেন্দ্রীয় মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহানও রয়েছে। কিন্তু মুহাম্মদ শাহজাহান নিজেই, মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীকে দক্ষ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে বিবেচনা করে ওনাকে উক্ত আসনে সিদ্ধান্ত দেন। মাওলানা আনোয়ারীর বিচক্ষণতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞাকে সম্মান জানিয়ে তার প্রসংশায় পঞ্চমুখ হতেন বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি গুলোও।
পরিশেষে বলা যায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে (কক্সবাজার-৪) উখিয়া টেকনাফ সংসদীয় জনবান্ধন জননেতা, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন ও শিক্ষাবিদ, হ্নীলা শাহ মজিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রিন্সিপ্যাল, হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের চার বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী (হাফি:) একজন ডায়নামিক লিডার এবং সবার সেরা সংসদ সদস্য প্রার্থী। তার কাছে জনগণের আমানত তসরুপ হবে না।
মুসা ইবনে হোসাইন বিপ্লব
লেখক:
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব
রামুতে সাত নারী পেলো উইমেন্স ট্যুরিজম লিডার্স অ্যাওয়ার্ড

রামুতে সাত নারী পেলো উইমেন্স ট্যুরিজম লিডার্স অ্যাওয়ার্ড

চকরিয়া টাইমস :

রামুতে সাত নারী উদ্যোক্তা পেয়েছেন 'উইমেন্স ট্যুরিজম লিডার্স অ্যাওয়ার্ড রামু ২০২৫' সম্মাননা। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রামু উপজেলা পরিষদের বাঁকখালী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তাদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

পর্যটনের ভূদৃশ্য রূপান্তরে নারীর ক্ষমতায়নে আইএলও–আইজেক প্রকল্প ও এনরুট ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় কক্সবাজার মহিলা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজনে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাশেদুল ইসলাম। অতিথিরা সাত নারী উদ্যোক্তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

কক্সবাজারে পর্যটন খাতে নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ অবদানকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্যে 'উইমেন্স ট্যুরিজম লিডার্স অ্যাওয়ার্ড রামু ২০২৫' সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন শুধু সমুদ্রসৈকত আর হোটেল নয়। এটি মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। পর্যটনের সুবিধা যেন তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছায়। সে জন্য নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সফল নারী উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রাপ্ত কথাগুলো, নতুন নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে।

কক্সবাজার মহিলা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহানারা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা উম্মে সুরাইয়া আমিন, উপজেলা পল্লী জীবিকায়ন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন শরিফ, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নওরিন আজম তামান্না, আইএলও'র কনসালট্যান্ট মো. মুস্তাফিকুর রহমান।

আইএলও-আইএসইসি পর্যটন খাত বাস্তবায়ন অংশীদারিত্ব কর্মসূচির আওতায় অনুষ্ঠিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, তানিশা বিনতে আলম ও ইনতিজাম উল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খাদ্য, হস্তশিল্প ও সেবাখাতে নারীরা অসাধারণ ভূমিকা রাখছেন। তারা পরিবার সামলিয়ে উদ্যোক্তা হয়ে উঠছেন এবং কক্সবাজারের পর্যটনকে আরও বৈচিত্র্যময় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলছেন। পুরস্কার প্রাপ্ত নারীরা আমাদের গর্ব। তারা প্রমাণ করেছেন যে সামান্য সুযোগ ও সহায়তা পেলে নারীরা পর্যটন খাতে সফল উদ্যোক্তা হয়ে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। এই ধরনের উদ্যোগ নারীদের দৃশ্যমানতা বাড়ায় এবং তাদের কাজকে স্বীকৃতি দেয়। পর্যটন খাতে নারীর নেতৃত্ব শুধু কর্মসংস্থানই তৈরি করছে না, বরং টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করছে।

অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা হয়ে উঠার গল্প বলেন, 'উইমেন্স ট্যুরিজম লিডার্স অ্যাওয়ার্ড রামু ২০২৫' সম্মাননা প্রাপ্ত আইরিন ক্লাসিক কিচেনের সামিনা আফরীন আইরিন, মুনা'স হেঁশেলের রেহেনা পারভিন মুনা, বেবি ফুড উদ্যোক্তা ফারিয়া আহমদ, 'ঘরোয়া স্বাদ বাই আফরিন সুমি'র প্রতিষ্ঠাতা আফরিন সুলতানা সুমি, কমিউনিটি লিডার রেখা বড়ুয়া, রওনক কুক আর্টের রওনক আরা খানম, টুপি কারুশিল্পী ছেনোয়ারা আকতার।

সামিনা আফরীন আইরিন, একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তার কর্মোদ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আইরিন ক্লাসিক কিচেন। বাঙালি ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বেকড পণ্যে বিশেষজ্ঞ তিনি। তার পণ্য জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত। তরুণ নারী উদ্যোক্তাদের পরামর্শদাতা হিসেবে তিনি সমাদৃত। তার কর্মোদ্যোগে বাঙালি ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বেকড পণ্যের গুণগত মান, ঐতিহ্যের ভারসাম্য বজায় রেখেছে। নতুন নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সামিনা আফরীন আইরিন ও আইরিন ক্লাসিক কিচেন অনন্য মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

রেহেনা পারভিন মুনা, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মুনা'স হেঁশেল এর প্রতিষ্ঠাতা। নিজ কর্মদক্ষতায় আচার, পিঠাপুলি ও রান্নাকে কাজে লাগিয়ে তিনি আজ সফল নারী উদ্যোক্তা। বিভিন্ন প্রতিকূলতা তার কাছে হার মেনেছে। তিনি পেয়েছেন ব্যবসায়িক সাফল্য এবং বিভাগীয় জয়িতার পুরস্কার।

ফারিয়া আহমদ, একজন সফল উদ্যোক্তা। তিনি পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য বেবি ফুড, শুকনো ফল ও তেল উৎপাদন করেন। উৎপাদন ও প্যাকেজিং-এ নারীদের কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন তিনি। ফারিয়া আহমদের কর্মোদ্যোগ কক্সবাজারের নারীদের ডিজিটাল উদ্যোক্তা হওয়ার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে জয়িতা পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

আফরিন সুলতানা সুমি, ঘরোয়া স্বাদ বাই আফরিন সুমি-এর প্রতিষ্ঠাতা। পিঠা, পুলি ও শুঁটকির মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটনকে সমৃদ্ধ করছেন। নারীদের রান্না ও ডিজিটাল দক্ষতায় প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান দিয়েছেন এবং পরিবার ও উদ্যোক্তা জীবনের সফলতা পেয়েছেন তিনি।

রেখা বড়ুয়া, একজন উদ্যোক্তা ও কমিউনিটি লিডার। নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা এবং নারীদের জীবিকা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা করেছেন। তিনিও জেলা পর্যায়ে জয়িতা পুরস্কার পেয়েছেন।

রওনক আরা খান, রওনক কুক আর্ট এর প্রতিষ্ঠাতা। মেলা ও উৎসবে রাখাইন-বাঙালি খাবারের প্রচার করেছেন তিনি। একজন চিকিৎসক হয়েও নারীদের কর্মসংস্থান নিয়ে কাজ করে তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। তিনিও জয়িতা পুরস্কার পেয়েছেন। -খালেদ শহীদ (রামু)