Showing posts with label কক্সবাজার. Show all posts
Showing posts with label কক্সবাজার. Show all posts
বরের বেশে ইমামের বিদায়!

বরের বেশে ইমামের বিদায়!

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে টানা ৩৬ বছর ইমাম ও খতীব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর মাওলানা ক্বারী নুরুল হককে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে রাজকীয় বিদায় জানিয়েছে খরুলিয়ার গ্রামবাসী, প্রাক্তন ছাত্র পরিষদসহ মসজিদ পরিচালনা কমিটি। বরের বেশে মাওলানাকে গ্রামের বাড়ি পৌঁছে দিতে চড়ানো হয়েছে মোটরসাইকেল বহর সহকারে ফুল সজ্জিত কারগাড়িতে। জমকালো এ অনুষ্ঠানে অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে তাকে পেনশন হিসেবে হাতে তুলে দিয়েছেন নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকার বিরল সম্মাননাসহ অসংখ্য উপহার। বিদায় বেলায় একজন ইমামকে সম্মানিত করার এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করায় প্রশংসায় ভাসছেন প্রাক্তন ছাত্র পরিষদসহ আয়োজকরা।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে খরুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে অবসরপ্রাপ্ত ইমাম মাওলানা ক্বারী নুরুল হকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সংবর্ধিত ইমাম মাওলানা নুরুল হক পেকুয়া উপজেলার টৈইটং ইউনিয়নের জালিয়ারচাং গ্রামের বাসিন্দা।

এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৯ সালের দিকে মাওলানা নুরুল হককে মসজিদটিতে ইমামতির দায়িত্ব দেন। এরপর কেটে যায় প্রায় ৩৬টি বছর। কর্মস্থল এ মসজিদটিতে তিনি তার উদ্যোগে এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সময় নানান সংস্কার কাজ করেন। পাশাপাশি শিক্ষকতা করেছেন খরুলিয়া তালিমুল কোরআন মাদরাসায়। এছাড়া খরুলিয়া নূরানী এন্ড ক্যাডেট মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করতে অনবদ্য ভূমিকা রাখেন তিনি। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন অতিবাহিত করা প্রিয় ইমাম প্রিয় শিক্ষককে স্মরণীয় বিদায় জানাতে গ্রামবাসীসহ তাঁর প্রাক্তন ছাত্ররা ওই মসজিদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

মসজিদ পরিচালনায় কমিটির সভাপতি মাস্টার হাবীব আহমদের সভাপতিত্বে ও ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মিজানুল কবিরের পরিচালনায় শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন পেকুয়া এমইউ ফাজিল মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা আজিজুল হক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা এম. আজিজুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খরুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ হাসান।

এতে ইমাম মাওলানা নুরুল হকের কর্মময় জীবনের স্মৃতি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা আমিনুল হক, ইসলামী ব্যাংক হেড অফিসের প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ হোসাইন, মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মুস্তফা কামাল, ব্যবসায়ী রহিম উদ্দীন, ইউপি সদস্য শরীফ উদ্দিন, ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম, মসজিদ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আজিজ, মাস্টার গোলাম কবির, মাওলানা আবদুল্লাহ, শিক্ষক আলতাফ হোসাইন, সিরাজুল হক নিজামী, ব্যবসায়ী আজিম খান, সমাজকর্মী জাহাঙ্গীর আলম শামস, ইঞ্জিনিয়ার কায়ছার উদ্দিন, মোশারফ হোসাইন, ব্যাংক কর্মকর্তা আনিসুল কবির, ব্যবসায়ী ও যুবনেতা শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ। এসময় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা, শিক্ষক, আলেমেদ্বীনসহ বিভিন্ন শ্রেণির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বৃহত্তর খরুলিয়ার ৭ গ্রামের বিভিন্ন পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো খরুলিয়ায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। বিশেষ করে খরুলিয়া সিএনজি চালক সমিতি, ফার্নিচার ব্যবসায়ী সমিতি, বাজার ব্যবসায়ী সমিতি, মসজিদ কমিটি, এলাকাবাসী, প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ও নুরানী ক্যাডেট মাদরাসার পক্ষ থেকে ক্রেস্ট এবং সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি খরুলিয়া তালিমুল কোরআন মাদরাসা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মরহুম মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইনকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিদায়ী ইমামের স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে মুসল্লিা বলেন, আমরা নামাজ কালাম শেখাসহ সামাজিক যাবতীয় সমস্যায় হুজুরের কাছ থেকে সমাধান নিতাম। হুজুর অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি আমাদের এলাকার জন্য একজন অনুসরণীয় ব্যক্তি হয়ে থাকবেন। বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে আমাদের কাছ থেকে আজ বিদায় নিচ্ছেন; যা আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

স্থানীয় সমাজ কর্মী জিয়াউল হক জিয়া, আনিসুল কবির, শরিয়ত উল্লাহ, ফয়সাল মাহমুদসহ শত শত যুবক বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য বেদনার। কেননা আত্মার আত্মীয়কে বিদায় দিচ্ছি, যিনি দীর্ঘ ৩৬ বছর দ্বিনি শিক্ষায় আমাদের আলোকিত করেছেন।

ইসলামি ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মিজানুল কবির বলেন, কক্সবাজার সদরে ইমামের এমন রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা এটাই প্রথম। এরআগে কখনো উপজেলায় এমনভাবে কোনো ইমামকে বিদায় দেওয়া হয়নি। ইমাম সমাজের নেতা। নেতাকে রাজকীয়ভাবে বিদায় দিতে পেরে আমরা মহান আল্লাহ তাআলার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ।

সংবর্ধিত বিদায়ী ইমাম মাওলানা নুরুল হক আবেগ আপ্লুত হয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, ১৯৮৯ সাল থেকে এই মসজিদে ইমামতি করে আসছি। ৩৬ বছরের বিদায় বেলাতে এত ভালোবাসা ও সম্মান দেওয়ায় আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। বিদায়বেলায় তিনি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন গড়া এবং ঈমান ও আমলের ওপর সবাইকে জীবন পরিচালিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাওলানা এম. আজিজুল হক বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান সবার চক্ষু খোলে দিয়েছে। সকল মসজিদের দায়িত্বশীলদেরকে এখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে সকলকে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করার আহবান জানান। 

অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী ইমাম ক্বারী মাওলানা নুরুল হককে বরের বেশে ফুল সজ্জিত প্রাইভেট কারে বসিয়ে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে রাজকীয় সম্মানে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেন আয়োজকরা। দীর্ঘ ৩৬ বছরের কর্মময় এলাকা খরুলিয়ার হাজারো মুসল্লি ও শিক্ষার্থীসহ পুরো গ্রামবাসী আবেগ আপ্লুত হয়ে ক্বারী নুরুল হক হুজুরকে বিদায় জানান অশ্রুসিক্ত নয়নে।


ফুলকুঁড়িদের বৃক্ষরোপণ

ফুলকুঁড়িদের বৃক্ষরোপণ

চকরিয়া টাইমস : 

ফুলকুঁড়ি আসর কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) শাখাধীন চকরিয়া পৌরশহরের সাব রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন বাড়ির আঙ্গিনায় চারা গাছ রোপণের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় আসরের কৃষি শিল্প ও বিজ্ঞান সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চকরিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল শাহেদ। জেলা শাখার সহকারী পরিচালক আবু নাঈমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত কর্মসূচি ক্ষুদে ফুলকুঁড়ি সদস্যরাও অংশগ্রহণ করে। পরে তাদের মাঝে ফলদ ও বনজ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কক্সবাজার জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কক্সবাজার জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

চকরিয়া টাইমস :

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কক্সবাজার জেলা শাখার ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাস্টার নুরুল আমিন হেলালিকে (দৈনিক কক্সবাজার ৭১) সভাপতি এবং মো. ওসমান গনি ইলিকে (জাতীয় অর্থনীতি ও এশিয়ান টিভি) সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন ও মহাসচিব মো. কামরুল ইসলাম কক্সবাজার জেলা কমিটির অনুমোদন করেন।

কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনার আলোকে জেলা কমিটির অন্যান্য পদবির কর্মকর্তারা হলেন; সহ-সভাপতি মো. আব্দুর রহমান (আনন্দ বাজার), মাস্টার রেজাউল করিম (বাংলাদেশ বেতার/ দৈনিক আজাদী), মো. শেফাইল উদ্দিন (দৈনিক খবর/ রূপালী সৈকত), জামাল হোছাইন (দৈনিক জনবানী/ সকালের কক্সবাজার), নাজিম উদ্দীন (আমার সংবাদ), আব্দুল আলিম নোবেল (কক্সবাজার ৭১), সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজা (দৈনিক ইত্তেফাক), শাহজালাল শাহেদ (দৈনিক সংগ্রাম), মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ প্রতিদিন/ এশিয়ান টিভি), আবু হেনা সাগর (বাংলাদেশ সমাচার), আবুল কালাম আজাদ (দৈনিক বসুন্ধরা), জিয়াবুল হক আকাশ (জাতীয় অর্থনীতি), মহিলা সম্পাদক শাহানাজ বেগম (জাতীয় অর্থনীতি ও কক্সবাজার সংবাদ), কামরুন তানিয়া (একুশে সংবাদ), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল আলম রাশেদ (আমার বার্তা), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম. নুরুল আমিন টিপু (দৈনিক ভোরের সময়/ কক্সবাজার বাণী), রাসেল তালুকদার (বাংলাদেশ সমাচার), অর্থ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, সহ-অর্থ সম্পাদক এইচ.এম রুহুল কাদের (দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ), প্রচার সম্পাদক হোসেন সুমন, আশ্রয় প্রতিদিন, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. সাঈদুজামান (দৈনিক দৈনন্দিন), দপ্তর সম্পাদক একে সোহেল (দৈনিক মেহেদী), সহ-দপ্তর সম্পাদক জয়নাল আবেদীন (বাংলাদেশ সমাচার), বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শফিউল আলম আজাদ (দৈনিক দৈনন্দিন), সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খায়েদ আলম কায়সার, ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক ঈমন (কক্সবাজার বাণী), সহ-ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত (দৈনিক মেহেদী), সাংস্কৃতিক সম্পাদক রানা মুল্লিক (আশ্রয় প্রতিদিন), সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজিজুল হক রাজু (রূপালী সৈকত), ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক (ভোরের চেতনা), মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক বিজয় কুমার ধর (দৈনিক দেশবিদেশ), সহ-মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক সেলিম খান বাপ্পী (ভোরের সময়), আপ্যায়ান বিষয়ক সম্পাদক জাফর আলম দিদার (দৈনিক কক্সবাজার বাণী), সহ-আপ্যায়ান বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বাসেত (দৈনিক আপনকন্ঠ), আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক জাফর আলম, সহ-আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আলী, সদস্য যথাক্রমে- কামাল উদ্দিন, তামান্না জান্নাত, শওকত আলম, ইমরান উদ্দিন প্রমুখ। (প্রেসবিজ্ঞপ্তি)

প্রেসিডিয়াম সদস্য কামাল হোসেন আজাদের অভিনন্দন:

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কক্সবাজার জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হওয়ায় কমিটির সকল কর্মকর্তাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কক্সবাজার জেলা শাখার সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক কামাল হোসেন আজাদ। তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য এবং পেশাগত উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে : অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে : অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

কক্সবাজার জেলা জামায়াতের দিনব্যাপি রুকন শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা -সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন। জননিরাপত্তা মারাত্মক সংকটে নিপতিত। পরিবারিক, সামাজিক ও ইসলামী মূল্যবোধ অবক্ষয়ের কারণে সামাজিক নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারের কোন মর্যাদা নেই বললেই চলে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের বাজার আওয়ামী সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ জনগণ দিশেহারা। দীর্ঘ পনের বছরের অধিক গণতন্ত্রহীনতার কারণে সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খল  পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এহেন শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকারই দায়ি। তাই সকল সংকট, সীমাবদ্ধতা ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দেশের মানুষের কল্যাণ ও মুক্তির লক্ষ্যে জামায়াতের রুকনদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে অগ্রণি ও সাহসী ভূমিকা পালন করতে হবে। শনিবার (৬ জুলাই) কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত দিনব্যাপি রুকন (সদস্য) শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম ও মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। 

শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে জামায়াতে ইসলামী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করে জনগণ থেকে জামায়াতকে বিচ্ছিন্ন করার অপকৌশল দেশবাসী রুখে দিয়েছে। তাই দেশের মানুষ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় জামায়াতে ইসলামী ভবিষ্যতে আরো বলিষ্ঠ ও সাহসী ভূমিকা পালন করতে সচেষ্ট। 

বিশেষ অতিথি সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, ইসলামের সোনালী অধ্যায় রচনায় একদল জিন্দাদীল, পরিচ্ছন্ন, সাহসী, আল্লাহ ভীরু ও জান্নাত প্রত্যাশী আসহাবে রাসূলের ভূমিকা বিশ্ববাসীর সামনে সমুজ্জল। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগের কারণে ইসলাম ও ইসলামী তাহজীব-তামাদ্দুন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। জামায়াতে ইসলামীর রুকনদেরকে আসহাবে রাসূলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন ও অনুসরণে ব্রতী হয়ে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে। 

বিশেষ অতিথি সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে হলে ইসলাম ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানার্জনের কোন বিকল্প নেই। মানব রচিত মতাদর্শের বিপরীতে ইসলামী আদর্শের শ্রেষ্ঠত্ব, সৌন্দর্য মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য নিজেদেরকে অনুকরণীয় মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে অন্য সকলের চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদেরকে অগ্রণি ভূমিকা পালন করতে হবে। 

জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী ও জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় দিনব্যাপি শিক্ষাশিবিরে জেলা নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা সেক্রেটারি এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন ফারুকী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা সভাপতি শামসুল আলম বাহাদুর, জামায়াত নেতা মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।(প্রেস বিজ্ঞপ্তি) 

খোদাভীরু নেতৃত্ব তৈরির মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে জামায়াত বদ্ধপরিকর : হামিদ আযাদ

খোদাভীরু নেতৃত্ব তৈরির মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে জামায়াত বদ্ধপরিকর : হামিদ আযাদ

বিশেষ প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ সৎ, দক্ষ ও খোদাভীরু নেতৃত্বের অভাবে গভীর সংকটে নিপতিত। দুর্নীতি, অপশাসন ও গণতন্ত্রহীনতার কারণে সঠিক নেতৃত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে সৎ, দক্ষ ও খোদাভীরু নেতৃত্বের কোন বিকল্প নেই। তাই জামায়াতে ইসলামী সমাজে খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার কাজ আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেয়ার উপযোগী জনবল তৈরি করতে  জামায়াতের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ২দিনব্যাপী (৩০ ও ৩১মে) উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষাশিবির সম্পন্ন হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

কক্সবাজার জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান ও এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। 

প্রধান অতিথি হামিদুর রহমান আযাদ আরো বলেন, বাংলাদেশে আজ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণতান্ত্রিক , নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয় প্রকট আকার ধারণ করেছে। সমাজ এবং রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে এসকল মূল্যবোধ অবক্ষয়ের সকল আয়োজন সক্রিয়। এহেন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল স্তরে খোদাভীরু নেতৃত্ব তৈরি ও প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী অগ্রণি ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। 

শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রত্যেক দায়িত্বশীল হবে সকলের জন্য অনুকরণীয় মডেল। পরকালীন জবাবদিহিতার অনুভূতি নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের কাজ ইহসানের সাথে পালন করতে হবে। মজলুম মানবতার মুক্তির কণ্ঠস্বর হিসেবে সমাজের সকল স্তরে দায়িত্বশীলদের বিচরণ অব্যাহত রাখতে হবে। 

সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সংগঠন সম্প্রসারণ ও মজবুতি অর্জনে দায়িত্বশীলদেরকে সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নিজেদের মান উন্নয়ন ও সংরক্ষণের পাশাপাশি সাংগঠনিক কাঠামোকে সক্রিয় রাখতে সচেষ্ট থাকতে হবে। জ্ঞান চর্চা ও আমলের ক্ষেত্রে সকলের চেয়ে দায়িত্বশীলদের অগ্রগামী থাকতে হবে। 

জেলা সহকারী সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মুফতি হাবিবুল্লাহ, জেলা সেক্রেটারি এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন ফারুকী, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ড. মাওলানা ছাবের আহমদ প্রমুখ। 

সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের সফল অভিভাবক মানবিক সমাজকর্মী জান্নাতুল ফেরদৌস

সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের সফল অভিভাবক মানবিক সমাজকর্মী জান্নাতুল ফেরদৌস

বিশেষ প্রতিবেদক : 

অদম্য ইচ্ছাশক্তিই জান্নাতুল ফেরদৌসকে সমাজে পিছিয়ে পড়া অবহেলিত সুবিধা বঞ্চিত মানুষগুলোর সফল অভিভাবকে পরিণত করেছে। লেগে থেকে মানুষের কল্যাণের জন্য খাটতে পারাটাই তার স্বার্থকতা। তার কাছে মানবিক হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল উদ্দেশ্য লক্ষ্য। এমনই একজন কর্ম উদ্যোমী সংগ্রামী নারীর নাম ইসলামপুরের জান্নাতুল ফেরদৌস।

জন্ম ও পরিচয় : কক্সবাজারের নতুন উপজেলা ঈদগাঁও ইসলামপুর ইউনিয়নের বামনকাটা গ্রামে ১৯৭৯ সালে ১০জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসা থেকে ১৯৯৩ সালে আলিম পাস করেন। সামাজিক ও পারিবারিক নানান বাধা বিপত্তির মুখেও তখন থেকে পরোপকারী মনোভাব পোষণ করেই চলতেন এই নারী। অন্যের ভালোতে তিনি মানসিক তৃপ্তি অনুভব করতেন। কম বয়সে ছোট খাটো সমাজসেবার মাঝপথে তিনি ১৯৯৯ সালে একই এলাকার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের এক সন্তানের সাথে বিবাহ বন্ধণে আবদ্ধ হয়ে সংসার জীবন শুরু করেন। 

অপরাজিতার সাথে যুক্ত ও প্রশিক্ষণ : ২০১৬ সালের তিনি অপরাজিতা প্রকল্পে যুক্ত হন। অপরাজিতার সাথে যুক্ত হওয়ার ফলে জান্নাতুল ফেরদৌস বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকেন। 

প্রশিক্ষণ জ্ঞান কার্যক্রম বাস্তবায়ন:  প্রশিক্ষণ থেকে জ্ঞান লাভ করার ফলে একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে সরাসরি মানুষের সেবা করার জন্য ২০১৬ সালের সংরক্ষিত আসনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করে বিজয় লাভ করেন। অপরাজিতার কাছ থেকে প্রশিক্ষণের পর তিনি সমাজের সুবিধা বঞ্চিত কারা তাদের জানতে পারেন। তার প্রথম টার্গেট ছিল ইউনিয়ন এবং উপজেলা পরিষদের সেবাপ্রদানকারীদের  সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা। অপরাজিতার বিভিন্ন সভা ও প্রশিক্ষণে তাদের সাথে পরিচয় হওয়ার সুযোগ হয়। যার ফলে তিনি তার তিন ওয়ার্ডে যারা বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছে তাদের তালিকা করেন। তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে তাদেরকে সুযোগ-সুবিধা দেয়ার ব্যবস্থা করেন। যারা প্রতিবন্ধি তাদেরকে তিনি সবচেয়ে দুর্বল মনে করেন। তার পূর্বে যিনি জনপ্রতিনিধি ছিল তিনি সুবিধাবঞ্চিদের তেমন মূল্যায়ন করতেন না। ওইসব বৈষম্যমূলক আচরণের কথা মাথায় রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগিয়ে তিনি ১০০জন প্রতিবন্ধীকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। তার এলাকায় প্রায় প্রতিবন্ধী এখন ভাতার আওতায় চলে এসেছে। তিনি ২০০ জন গর্ভবতী মহিলাকে গর্ভকালীন সেবা নিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে পাঠাতে সহযোগিতা করেন। জন কিশোরীদের টিটি টিকার আওতায় আনেন। ৬০০ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল ও কৃমি নাশক ক্যাপসুল খাওয়াতে সহযোগিতা  করেন। ৪০ জন মহিলাকে মাতৃত্বকালীন ভাতা, ১৫ জন মহিলাকে বিধবা ভাতা, এলাকার অবকাঠামুগত উন্নয়নের জন্য ৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন। এইসব কাজ তিনি দক্ষতার সাথে করার জন্য  করার জন্য তিনি বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-২ এর দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ইউনিয়ন পরিষদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি, স্থানীয় মাদরাসা পরিচালনা  কমিটির সভাপতি, কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি, ইউনিয়ন অপরাজিতা নেটওয়ার্কের সভাপতি এবং উপজেলা ও অপরাজিতা নেটওয়ার্কের নির্বাহী সদস্য। 

পরিশেষে বলা যায় জান্নাতুল ফেরদৌস একজন অপরাজেয় নারী প্রতিনিধি। তিনি মনে করেন মানুষের সেবা করতে টাকা লাগেনা; মনের ইচ্ছা শক্তিই যথেষ্ট। তিনি মনে করেন; মানুষের সেবা করতে পারলে মনের মধ্যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়।


ভয়াল ২৯শে এপ্রিল ঘুর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে ধলঘাটা এসোসিয়েশনের দোয়া মাহফিল

ভয়াল ২৯শে এপ্রিল ঘুর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে ধলঘাটা এসোসিয়েশনের দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানী ঢাকাস্থ মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সংগঠন ধলঘাটা এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ১৯৯১সালে ভয়াল ২৯শে এপ্রিল প্রলংয়করী ঘুর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে খতমে কুরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দি রয়েল পাবলিকেশন্স মসজিদ মিলনায়তনে সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার (২৯এপ্রিল) মাগবিবের নামাযের পরে ধলঘাটা মোহাম্মদিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  

তরুণ সমাজসেবক আলহাজ্ব মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

আলোচনা সভায় স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন ‍দি রয়েল সায়েন্টিফিক পাবলিকেশন্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাঈদ মুহাম্মদ দিদার, ইসলামী ব্যাংক মিরপুর শাখার কর্মকর্তা মুহাম্মদ আয়াত উল্লাহ ও শিল্পী মুহাম্মদ শামসুল আলম টিটু।

পরে প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড়ে নিহতদের রুহের মাগফিরাত একং জীবিত সকল আত্মীয় স্বজনদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন দোয়া অনুষ্ঠানের সভাপতি মাওলানা সিরাজুল হক।

ইকুনোর কঠোর পরিশ্রম সমাজে সফল নারী নেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে

ইকুনোর কঠোর পরিশ্রম সমাজে সফল নারী নেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সামাজিক বৈষম্য ও আত্মবিশ্বাস না হারিয়ে অসহায় ও দরিদ্র নারী সমাজের সম্মান ও সমান অধিকারের দিকে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ হন রোকসানা আক্তার ইকুনো। সমাজের সাহায্য এবং নিজের সাহসের জোরে রোকসানা অপরাজিতা নারীকে এক নতুন দিশা দেখাতে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। একজন মহিলা, অপরাজিতার, কোন কিছুই তাকে বিরক্ত করতে পারেনি। কারণ শক্ত হওয়ার জন্য তার ছিল সীমাহীন চেষ্টা। ক্ষমতা, শিক্ষা, বিশ্বাস এবং ইচ্ছাশক্তির প্রচেষ্টা তার নিজস্ব গল্প তৈরি করেছে এবং সমাজের কাছ থেকে তার স্বামীর সমর্থন ও সমর্থনে তিনি এখন ক্ষমতা ও সম্মানের সাথে নারীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সমাজ পরিবর্তনে অবদান রাখছেন। তিনি বলেন, অপরাজিতা প্রকল্প সব সময় আমার সঙ্গে লেগে আছে, আমার সাহস, ইচ্ছাশক্তি, স্বামীর সমর্থন এবং কঠোর পরিশ্রম আমাকে অন্যতম ক্ষমতাশালী নারী নেত্রী হিসেবে স্থায়ী করে তুলেছে। পাশাপাশি সমাজের মানুষের মনোভাব আমাদের সমাজ পরিবর্তনে নারীদের সফল হওয়ার পথ প্রশস্ত করতে সহায়তা করছে। 

পরিচয় জন্ম ও শিক্ষা:

১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নিদানিয়াপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে সাধারণ নারী হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন রোকসানা আক্তার ইকুনো। বিয়ের পর নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও অপরাজিতা ২০১৯ সালে এই প্রকল্পে যোগ দিয়ে প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রদত্ত সবধরনের প্রশিক্ষণ ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে উক্ত বিষয়গুলোতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সক্ষম হয় তিনি।

কার্যক্রম বাস্তবায়ন: 

অপরাজিতা ইকুনো অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকার পালংখালী ইউনিয়নে অংশগ্রহণ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। মেয়ে হয়েও বাবার সঙ্গে নিয়মিত সালিশে যেতেন। তার স্বপ্ন ছিল একজন সমাজকর্মী হয়ে গ্রামের অসহায় মানুষের সেবা করা এবং একজন আত্মবিশ্বাসী সফল নারী নেত্রী হওয়া। তাই এলাকার হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকা- বাস্তবায়নের সহায়তায় তিনি সামাজিক-রাজনৈতিক অর্থনৈতিক কর্মকা- করে এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের প্রিয় ব্যক্তিতে পরিণত হন এবং এগিয়ে যাওয়ার জন্য অসহায় স্বামী হারানো বিধবাদের তালিকা তৈরি করেন এবং উপজেলা সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দশজনকে বিধবা ভাতা পেতে সহায়তা করেন। এলাকার প্রায় ৫০ জন দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ছেলে-মেয়ে প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করেন। তিনি তাদের স্কুলে ভর্তি দেখাতে সাহায্য করতেন। 

তিনি বাল্যবিবাহ বন্ধ, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আটটি ট্রায়ালে অংশ নিয়ে সফলতার সাথে সমস্যা সমাধানে মতামত ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেন। স্থানীয় প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নকে সমর্থন করে তিনি সর্বদা লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণে অবদান রেখেছেন। জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে ২৮০ জন ৯৯৯ জন ও ১০৯  জন নারীকে নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতন করতে পেরেছেন। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্য। ইকুনো ইউনিয়ন ও উপজেলা অপরাজিতা নেটওয়ার্কের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

তিনি উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে একজন আদর্শ কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে অপরাজিতা প্রকল্পের বিভিন্ন কমিটি ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে সমাজ পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যান। তার বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সহায়তায় তিনি সমাজে পরিবর্তন এনেছিলেন। তিনি নারীর সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করেন। তার ইচ্ছাশক্তি ও সাহসের মাধ্যমে তিনি নারীর ক্ষমতা ও মর্যাদার লড়াইয়ে অগ্রগতি অর্জন করেছিলেন। যেখানে নারীরা বঞ্চিত ছিল এবং তার কার্যকলাপ একটি সুস্থ ও সক্রিয় সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। 

পরিশেষে বলা যায়, প্রত্যন্ত গৃহবধু থেকে পালংখালী ইউনিয়নের অন্যতম অপরাজেয় মানুষ হিসেবে সমাজে অবদান রেখে চলেছেন ইকুনো। আর অপরাজিতা এসে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ইতিবাচক চিন্তা ভাবনার কারণে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রমাণ করেছেন; আমরা ঘরের বাইরের নারী। তার সাফল্যের গল্প সমাজের অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা ও অনুকরণীয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।


অভিনয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন প্রবালের মুদাববির

অভিনয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন প্রবালের মুদাববির

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

কক্সবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান প্রবাল শিল্পী গোষ্ঠীর নিয়মিত সদস্য মুদাববিরুল ইসলাম একক অভিনয়ে  “সেরাদের সেরা” জাতীয় পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় “ক” গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রোববার (৩মার্চ) গার্লস গাইড হাউস মিলনায়তনে সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ (সসাস) আয়োজিত সেরাদের সেরা-২০২৩ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার (জাতীয় পর্যায়ে অডিশন) গ্র্যান্ড ফিনাল সম্পন্ন হয়। 

এতে সারা বাংলাদেশের জাতীয় মানের সকল প্রতিযোগিদের চমকে দিয়ে দেশসেরা হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে ক্ষুদে অভিনেতা মুদাববিরুল ইসলাম। প্রবাল শিল্পী গোষ্ঠীর অভিনয় বিভাগের প্রশিক্ষক সাবেক সহকারী পরিচালক ও থিয়েটার বিভাগের সাবেক পরিচালক আবু তৈয়ব আজাদ রচিত “নিরাপদ সড়ক চাই” শিরোনামে অভিনয় পরিবেশন করে বিচারকদের নজর কাড়তে সক্ষম হলে; চ্যাম্পিয়ন তথা কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের এ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে মুদাববির। চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে আনতে অভিনয় রচয়িতা নিজেই সাফল্যের নেপথ্যে অব্যাহত ভূমিকা পালন করেন।

সসাস পরিচালক আহমেদ তৌফিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দেশের খ্যাতিমান সাহিত্যিক কবি মোশাররফ হোসেন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সুরকার ও গীতিকার আবু তাহের বেলাল ও বিশিষ্ট নাট্য অভিনেতা মুনিরুল ইসলাম। জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় বিজ্ঞ বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট নাট্যকার জাকারিয়া হাবিব পাইলট, মির্জা তারেক ও তাহসিন সকাল।

এদিকে প্রবালের সদস্য মুদাববিরুল ইসলাম অভিনয়ে জাতীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে ও ক্ষুদে অভিনেতাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশিষ্ট সুরকার ও গীতিকার শিল্পী শোয়াইব বিন হাবিব, প্রবাল শিল্পী গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ আরমান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রবালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুসা ইবনে হোসাইন বিপ্লব ও প্রবাল পরিচালক মো. আবদুল গফুরসহ বিশিষ্টজনেরা। অভিনন্দনদাতারা তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, দেশসেরা ক্ষুদে অভিনেতা মুদাববিরুল ইসলাম মার্শাল আর্ট তায়কোয়ানদো বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠতম ব্ল্যাক বেল্টপ্রাপ্ত সদস্য। বর্তমানে সে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। 


কক্সবাজারে শতাব্দির সাংস্কৃতিক উৎসব ও প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

কক্সবাজারে শতাব্দির সাংস্কৃতিক উৎসব ও প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

কক্সবাজারে শতাব্দি সাংস্কৃতিক সংসদের আয়োজনে বার্ষিক শিক্ষা সফর, সাংস্কৃতিক উৎসব ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শনিবার ইনানী লা-বেলা রিসোর্ট মিলনায়তনে সম্পন্ন হয়েছে। 

এতে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট ড. আ.জ.ম ওবায়েদুল্লাহ রচিত “সাহিত্য সংস্কৃতির নানা প্রসঙ্গ” বই প্রদর্শনী করা হয়। সেই সঙ্গে উপস্থিত বিশিষ্টজনের মাঝে বইটির সৌজন্য কপি বিতরণ ও সাধারণ ক্রেতাদের নিকট বিক্রি করা হয়। 

শতাব্দী সাংস্কৃতিক সংসদের আহবায়ক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট ড. আ.জ.ম ওবায়েদুল্লাহ। 

এসময় শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, সমাজসেবক জাহেদুল ইসলাম, দৈনিক হিমছড়ির সম্পাদক হাসানুর রশীদ, সিবিএনের বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, সমাজসেবক মাওলানা নূরুল হক, রিদওয়ানুল হক, নূরুল আবছার, ফয়সাল উদ্দিন চৌধুরী ও আকতার হোছাইনসহ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শিল্পী, সাহিত্যিক, কবিগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কা তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।  

এদিকে “সাহিত্য সংস্কৃতির নানা প্রসঙ্গ” বইয়ের লেখক ড. আ.জ.ম ওবায়েদুল্লাহর নিকট থেকে অটোগ্রাফ নেন প্রত্যেক ক্রেতা। লেখকের আন্তরিকতাপূর্ণ ব্যবহার ও অটোগ্রাফ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

বেইলী রোড অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রাণ গেলো কাস্টমস অফিসারের

বেইলী রোড অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রাণ গেলো কাস্টমস অফিসারের

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছে স্ত্রী, কন্যাসন্তানসহ কক্সবাজারের উখিয়ার ছেলে কাস্টমস অফিসার (ইন্সপেক্টর) শাহ জালাল উদ্দিন (৩৫)। পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন- কাস্টমস অফিসারের স্ত্রী মেহেরুন নেসা হেলালী (২৪) ও তাদের মেয়ে ফাইরুজ কাশেম জামিলা (৪)। তিনজনেরই মরদেহ শনাক্ত করেছে পরিবার।

শুক্রবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেহেরুনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোক্তার হোসেন হেলালী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে গিয়ে মেয়ে, জামাতা ও নাতনির পোশাক দেখে মরদেহ শনাক্ত করে।

মোক্তার হোসেন হেলালী বলেন, ‘আমার মেয়ের জামাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পোর্টে কাস্টম ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিল। দুদিনের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য সে ঢাকায় আসে এবং গ্রিন লাইন বাসের টিকিটও কাটে। ঢাকায় আসার পর পুরো ফ্যামিলি নিয়ে কাচ্চি বাড়ি রেস্টুরেন্টে খেতে যায়। এরপর তারা আর ফিরে আসেনি। কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে তিনি।

তিনি আরও জানান, শাহ জালাল উদ্দিন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবুল কাশেমের সন্তান। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কাস্টমস কোয়াটারে থাকতেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া তিনজনের মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আগুনের ঘটনায় একই পরিবারের নারী-শিশুসহ তিনজন মারা গেছেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের মরদেহ শনাক্ত করা হয়। শনিবার তাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে শুক্রবার রাতে শাহজালালের বড় ভাই হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজুসহ তার পরিবারের লোকজন তাদের মরদেহ রিসিভ করতে ঢাকার পথে রয়েছেন।

তাঁরা ৫ ভাই, এক বোনের মধ্যে শাহজালাল দ্বিতীয়। বাবা-মাও আছেন।

এদিকে বেইলি রোডের আগুনে নিহতদের মধ্যে শুক্রবার রাত পর্যন্ত ৪০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে ঢামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নারী-শিশুসহ আরও বেশ কয়েকজনের মরদেহ মর্গে রয়েছে বলে জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বেইলি রোডে ওই ভবনটিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সাততলা ভবনের সব ফ্লোরে।

কক্সবাজারে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জেলা ছাত্রশিবিরের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

কক্সবাজারে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জেলা ছাত্রশিবিরের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ উপলক্ষে ইসলামী ছাত্রশিবির কক্সবাজার জেলা শাখা আয়োজিত আন্ত: থানা ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় মাঠে সম্পন্ন হয়েছে। 

খেলায় শিশু ক্রিকেট একাদশ চকরিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মাতামুহুরী ক্রিকেট একাদশ। খেলা শেষে জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুল মজিদ আরমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মুছা ইবনে হোসাইন বিপ্লবের পরিচালনায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক মো. মিজবাহুল করিম। 

তিনি বলেন, অপসংস্কৃতির সয়লাব থেকে ছাত্রসমাজকে ভালোর পথে আকৃষ্ট করার মাধ্যমে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে ইসলামী ছাত্রশিবির খেলাধুলা, বক্তৃতা, বিতর্ক, নৌকা ভ্রমণ, সাইকেলিংসহ নানামুখী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তাই তারই ধারাবাহিকতায় আদর্শ ও চরিত্রবান নৈতিকতা সম্পন্ন মানুষ তৈরিতে ছাত্রশিবির আয়োজিত এ ধরনের ক্রীড়া চর্চার বিকল্প নেই। 

পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে অতিথিবৃন্দ খেলায় বিজয়ী ও বিজিতদলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও নগদ টাকাসহ রকমারি পুরস্কার তুলে দেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্যারচর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কাইছার, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল মামুর, শরিফুল আমিন ও সাবেক ছাত্রনেতা আসহাব উদ্দিন। 

অনির্বাণ সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের কমিটি গঠন

অনির্বাণ সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের কমিটি গঠন

পরিচালক মিনার : সহকারী পরিচালক শাহনেওয়াজ ও সাইদুল 

নিজস্ব প্রতিবেদক: পর্যটন শহর কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন অনির্বাণ সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের ২০২৪ সালের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

গত শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরী সভায় শিশু, কিশোর, সিনিয়র শিল্পী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে অনির্বাণের ভাইস চেয়ারম্যান কবি সালমান নূরী এ কমিটি ঘোষণা করেন। 

এতে শিল্পী মিনার উদ্দিনকে পরিচালক এবং শিল্পী মো. শাহ নেওয়াজ ও শিল্পী সাইদুল ইসলামকে সহকারী পরিচালক করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন দেশের সাড়া জাগানো সাংস্কৃতিক সংগঠন ঢাকা সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর সাবেক পরিচালক শিল্পী ইকবাল হাসান এবং দৈনিক সাঙ্গুর কক্সবাজার প্রতিনিধি ও সিবিএন’র বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক ইমাম খাইর।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিশু-কিশোররা হলো ফুলের মতো, এই ফুলগুলো আগামীতে সুগন্ধি ছড়াবে, সুস্থ সংস্কৃতির মধ্যদিয়ে। পাড়া-মহল্লায় বা সমাজে এবং সর্বোপরি দেশের কল্যাণে এরাই তৈরী হবে বলে আশা করা যায়। তাই অশ্লীলতা থেকে প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনার জন্য নৈতিকতা সমৃদ্ধ সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই।  এই অনির্বাণ নৈতিকতা যুক্ত  সুস্থ সংস্কৃতির বীজ বপন করতে চাই সকলের মনের কোণায়। 

এসময় অভিভাবকদের উদ্দেশ্য বক্তারা বলেন, আল্লাহ রাসূল (স.) কবি ও শিল্পীদেরকে অনেক বেশি ভালোবাসতেন। নিঃসন্দেহে আপনারা যদি এই সুস্থ সংস্কৃতির সাথে আপনার ছেলে মেয়েকে নিয়মিত চর্চায় রাখতে পারেন তাহলে আপনারা দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি ও মুক্তি লাভ করতে পারবেন। 


শিক্ষায় সম্মাননা পেলেন জেএমঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাইছার লিটন

শিক্ষায় সম্মাননা পেলেন জেএমঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাইছার লিটন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদানের জন্য সফল ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে একুশে স্মৃতি পদক-২০২৪ সম্মাননা স্মারক পেলেন কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর শাপলাপুর ঐতিহ্যবাহী জেএমঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইছার লিটন। 

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকার  শেগুনবাগিচা কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে "ভাষা আন্দোলন থেকে আজকের বাংলাদেশ" শীর্ষক আলোচনা সভা, ভাষা সৈনিকদের সংবর্ধনা ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম। তিনি সফল ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোহাম্মদ কাইছার লিটনের হাতে সনদপত্রসহ বিশেষ সম্মাননা স্মারকটি তুলে দেন। 

এদিকে একুশে স্মৃতি পদক সম্মাননা পাওয়ায় মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে মহেশখালী-চকরিয়াসহ গোটা কক্সবাজারের শিক্ষক সমাজের প্রতি ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সফল শিক্ষক মোহাম্মদ কাইছার লিটন। তিনি তার উত্তরোত্তর সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে সহকর্মীসহ সকল শুভাকাংখি ও শুভানুধ্যায়িদের দোয়া কামনা করেন।

জেলায় ৫৩ কেন্দ্রে এবার এসএসসি সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে ৩০৩১৮জন পরীক্ষার্থী

জেলায় ৫৩ কেন্দ্রে এবার এসএসসি সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে ৩০৩১৮জন পরীক্ষার্থী

খন্দকার মোহাম্মদ হোসাইন (বিশেষ প্রতিবেদক):

আজ ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে সারা দেশে এসএসসি-দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু। কক্সবাজার জেলার ৫৩ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী এবার ৩০,৩১৮ জন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারন) চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা ও আইসিটি বিভীষণ কান্তি দাসের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তুতি সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারন) বিভীষণ কান্তি দাস কেন্দ্র সচিবদের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি নিরপেক্ষ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন বলে জানান।

এদিকে পরীক্ষার্থীদের জন্য ৭টি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। নির্দেশনা সমুহ হলো প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকে বিধায় পরীক্ষার্থীর বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়জন নির্ধারিত সময়ে কোনভাবেই পরীক্ষা হলের প্রাঙ্গনে অবস্থান করতে পারবে না। কোন পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রেশন কার্ড ছাড়া অন্য কোন নোট, কাগজ, বইপত্র, মোবাইল ফোন ও কোন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে আনতে পারবে না।

পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের কলম, কালি, বল পয়েন্ট কলম ও পেন্সিল সঙ্গে আনবে এবং সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ও যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা নিজেরাই করবে। পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় নির্দিষ্ট স্থানে নিজ বোর্ডের নাম,পরীক্ষার নাম, রোল নম্বর, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডের ঘর যথাযথভাবে কালো বল পয়েন্ট কলম দ্বারা পূরণ/ভরাট করবে।

পরীক্ষার্থীরা উত্তর পত্রের নির্ধারিত স্থান হতে উত্তর লিখা শুরু করবে।উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠা ব্যতীত অন্য সব পাতার উভয় পৃষ্ঠাতেই উত্তর লিখতে হবে। উত্তরপত্রের যে সব অংশ বল পয়েন্ট কলম দ্বারা পূরণ করতে বলা হয়েছে তা অবশ্যই কালো বল পয়েন্ট দ্বারা পূরণ করতে হবে।

উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া অন্যত্র কিছু লেখা বা দাগ দেয়া নিষিদ্ধ ।

উত্তরপত্রটিকে কোন অবস্থাতেই ভাঁজ করা যাবে না। উত্তরপত্রে আপত্তিকর লিখা/অসৌজন্যমূলক মন্তব্য বা অনুরোধ / উত্তরপত্র জমা না দিয়ে হল ত্যাগ করা, পরীক্ষা পরিচালনায় নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন বা সুষ্ঠু পরীক্ষা পরিচালনায় কোনরূপ বাধার সৃষ্টি করা হলে পরীক্ষা বাতিলসহ আইনানুগ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  উত্তরপত্রের অভ্যন্তরে কোন জায়গায় পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর, মোবাইল/ টেলিফোন নম্বর, স্কুলের  নাম, কেন্দ্রের নাম কোন অবস্থাতেই লিখা যাবে না। লিখলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল বলে গণ্য হবে। পরীক্ষা শেষে কক্ষ পরিদর্শকগণ কর্তৃক উত্তরপত্র সংগ্রহ করার পূর্বে কোন পরীক্ষার্থী তার আসন ছাড়তে পারবে না।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারন) বিভীষণ কান্তি দাস জানান- পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সড়কে পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করে কেন্দ্রে যেতে পারে সে বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকল কেন্দ্রে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহনের জন্য এবং আইনশৃংখলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

এদিকে জেলা প্রশাসকের শিক্ষা ও কল্যান শাখা সূত্রে জানা যায়, জেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৫৩ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৩শ ১৮ জন। তৎমধ্যে এসএসসির ৩১ কেন্দ্রে ২১৮৯৭ জন, দাখিলের ১৪ কেন্দ্রে ৬৯৪৪ জন এবং ভোকেশনালের ৮ কেন্দ্রে ১৪৭৭ জন। 

এসএসসিতে ৩১ কেন্দ্রের কেন্দ্রওয়ারি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হল- কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮৭৯  জন, ঈদগাও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭১৭ জন, কক্সবাজার সরকারি বালিকা কেন্দ্রে  ৯৬৫জন, ঈদগাঁও জাহানারা ইসলাম বালিকা কেন্দ্রে  ৬৯২ জন, কক্সবাজার মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে  ৫৯২ জন,খুরুস্কুল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪৮৫ জন, রামু খিজারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে  ৯৩৯ জন, রামু বালিকা কেন্দ্রে  ৫০২ জন, চকরিয়া সরকারি বালক বিদ্যালয়ে ১৬৪০ জন, চকরিয়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ১৩৫০ জন, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ কেন্দ্রে ১৩৫২জন, বদরখালী কলেজ ৫৪১ জন, কুতুবদিয়া সরকারি বালিকা কেন্দ্রে ৪৮৮ জন, ধুরুং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭৩৫ জন, মহেশখালী সরকারি বালিকা কেন্দ্রে ৬৮১ জন, কালামারছড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৪৩ জন, মাতারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪০৪ জন, মহেশখালী বালিকা কেন্দ্রে ৫০১ জন, ইউনুচখালী নাসিরউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯৩জন, উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪২১ জন, উখিয়া বালিকা কেন্দ্রে ৯৪৩ জন, পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯৬৮ জন, কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয় ৪৮০ জন, টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬০৭ জন, টেকনাফ আলী আছিয়া কেন্দ্রে ৫৯৩ জন, এজাহার বালিকা কেন্দ্রে ৩৫১ জন, নয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৫৫, পেকুয়া জিএমসি ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে ৫২৪ জন, পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে  ১২২০জন।

অপরদিকে দাখিল পরীক্ষায় জেলায় ১৪ কেন্দ্রে ৬৯৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এদের মধ্যে  হাশেমিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে ৪৩১ জন,  কক্সাবাজার ইসলামিয়া আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৫২৭ জন, ঈদগাও আলমাছিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৭৩০ জন, মেরংলোয়া রহমানিয়া ইসলামীয়া  দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে  ৩৬১৪০৬ জন, রামু গর্জনীয়া ফয়জুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ২৪৯ জন, চকরিয়া আনোয়ারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৯৭৭ জন, আমজাদিয়া রফিকুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৪৮৭ জন, কুতুবদিয়া বড়ঘোপ ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩৮৭ জন, মহেশখালী পুটিবিলা ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৪২৯ জন, কালামারছড়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৫০৮ জন, রাজাপালং এমইউ ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৬৯১ জন, রঙ্গিখালী দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৪৩১ জন, পেকুয়া আনোয়ারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৫০৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। 

অপরদিকে ভোকেশনালের ৮ কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪৭৭ জন। এরমধ্যে কক্সবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের পরীক্ষার্থী  ৩৯০ জন, রামু টেক্সটাইল ইনিস্টিউটে কেন্দ্রে ২৬১ জন,রামু খিজারীতে ১৪২ জন, কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন কেন্দ্রে ১৮৭ জন, উখিয়া নুরুল ইসলাম বিএম স্কুল এন্ড কলেজে ৯০ জন, মহেশখালী আইল্যান্ড হাইস্কুল কেন্দ্রে ২৫৫ জন, আল ফারুক দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩৩ জন এবং টেকনাফ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে ১১৯ জন।

জলেয়ারমারঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাফল্যের নেপথ্য কারিগর প্রধান শিক্ষক কায়সার লিটন

জলেয়ারমারঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাফল্যের নেপথ্য কারিগর প্রধান শিক্ষক কায়সার লিটন

বিদ্যালয় ভবন উদ্বোধন করবেন সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জলেয়ারমারঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কায়সার লিটনের হাত ধরে একের পর এক ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করে যাচ্ছে। 

এ সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো: কায়সার লিটনের নানা উদ্ভাবনী কাজের ছক এবং তা বাস্তবায়নে সহকর্মীদের দলবদ্ধ পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শুধু চাকরির প্রচলিত নিয়মে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নিজেদের আটকে রাখেননি। বরং সৃজনশীলতা দিয়ে পরিচিত করে তুলেছেনে বিদ্যালয়টিকে।

সম্প্রতি বিদ্যালয়ে ঢুকে দেখা গেল, একটি শ্রেণিকক্ষে ক্লাস নিচ্ছেন একজন শিক্ষিকা। শিক্ষক মিলনায়তনে প্রধান শিক্ষক কায়সার লিটনসহ কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার দিকে নজর রাখতে ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে খোঁজ খবর রাখছেন।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের জলেয়ারমারঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৪৩০জন। উক্ত প্রতিষ্ঠান এমপিও নন এমপিও মোট ১২ জন শিক্ষকদের নিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে এলাকার শাপলাপুর ইউনিয়নের নলবিলা, শাপলাপুর বাজার, ষাইটমারা, নয়া পাড়া, জেএম ঘাট, দিনেশপুর, বারাইয়া পাড়াসহ অসংখ্য পাড়ার শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করে। এ বিদ্যালয়ের অবস্থান জেএম ঘাট এলাকার একটি অংশে। এখানকার বেশির ভাগ মানুষই কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কায়সার লিটন বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি কর্তৃক আয়োজিত ৫০ তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৩ইং প্রতিযোগিতায় উপ-কমিটির দায়িত্ব পালন করার জন্য মনোনীত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। বিদ্যালয়ে কায়সার লিটন যোগদান করার পর থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাফল্য শতভাগ।

উক্ত বিদ্যালয়ের সভাপতি ফরিদুল আলম বলেন, ‘বিদ্যালয়টি মহেশখালীর উপজেলার মধ্যে ভালো। প্রধান শিক্ষক কায়সার লিটন বিদ্যালয়ের দায়িত্বশীলতার সহিত খুব খাটেন। প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার খোঁজখবর রাখেন। 

দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার নির্মাণ: 

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের অজপাড়া জেমঘাট জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে আগে কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার ছিল না। ফলে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারত না শিক্ষার্থীরা। তবে এবছর যথাযথযোগ্য মর্যাদায় আসন্ন ২১ ফেব্রুয়ারীতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রীরা অধীর আগ্রহ হয়ে শহীদ ব্যধিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করবেন। ওই স্কুলেরই নিজস্ব অর্থায়ানে টাকা দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন একটি শহীদ মিনার। এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খড়ের ঘর, টিনের ঘর, বিল্ডিংয়ের যাই হোক, শিক্ষার উৎকৃষ্ট মান, সুন্দর পরিবেশ এবং ভালো ফলাফলই শেষ কথা। তবে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতারা যদি হন উদারমনা, শিক্ষানুরাগী, রুচিশীল এবং বিত্তবান, তাহলে চাইলেই তারা প্রতিষ্ঠানের ভবন শিল্পের ছোঁয়ায় দৃষ্টিনন্দন করতে পারেন। যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের নয়নাভিরাম পরিবেশ ও স্থাপনায় মুগ্ধ হয়ে শিক্ষা গ্রহণে আরও বেশি আগ্রহী হতে পারে নিঃসন্দেহে। আধুনিক স্থাপত্য শৈলী ও দৃষ্টি নন্দন নকশায় নির্মিত উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

আঁকাবাঁকা পাহাড়ী মেঠো পথ দিয়ে জেমঘাট বাজারের পূর্বপাশে ওই স্কুলটিকে প্রথম দর্শনে যে কেউ ভাবতে পারেন এটি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। প্রতিদিন অনেকেই স্কুলটি দেখার জন্য ছুটে আসেন। ভবনের সামনে ও পেছনের অংশসহ চারপাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা ও ভবনটির সঙ্গে সেলফিবন্দি করেন নিজেদের।

জেমঘাট এলাকায় বিশাল জায়গা নিয়ে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন সাবেক প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ। তিনি তীলে তীলে শ্রম ও মেধা দিয়ে অজপাড়া জনপদে শিক্ষা বিস্তারের জন্য কাজ করেছেন জনশ্রুতি রয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা রেখে চলছে বিদ্যালয়টি। সাবেক মেম্বার ছৈয়দ আহমদ, মৌলভী মোহাম্মদ মুজিবুল হক, ফরিদুল আলম, মৌলভী নাছিরের হাত ধরে ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৬ বছর ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলছে ঐতিহ্যবাহী উপজেলার জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি। স্কুলটি ১৯৯৭ সালে কড়ের এবং টিনের স্থাপনার মাধ্যমে পাঠদান শুরু করলেও কয়েক যুগ পর হলেও স্থানীয় এমপি মহোদয় আশেক উল্লাহ রফিকের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আধুনিক নকশায় নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সম্পন্ন করা হয় দ্রুততম সময়ে। গেল বছরের ২০২৩ সালের দিকে নবনির্মিত ভবনে ক্লাস শুরু হয়।

৫ম তলা বিশিষ্ট এ স্কুলটির পশ্চিম পাশে নান্দনিক ডিজাইনে নির্মাণ করা হয়েছে শহীদ মিনার। স্কুলের ভেতরে বিশাল জায়গায় শিক্ষার্থীদের হাঁটাচলা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রয়েছে। স্কুলে প্রবেশের মূল গেইটের সামনে আছে খেলার মাঠ। নবনির্মিত ভবনসহ যাবতীয় অবকাঠামো উন্নয়নের রোল মডেল একমাত্র মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এমপি। তাঁর সার্বিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এ বিদ্যালয় এলাকাবাসীরা পেয়েছে। এতে এলাকাবাসীদের মনে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। 

উক্ত বিদ্যালয়টি মাননীয় এমপি আশেক উল্লাহ রফিকের নির্ধারিত তারিখ পেলে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফরিদুল আলম ও প্রধান শিক্ষক মো: কায়সার লিটন। 

স্কুলের প্রতিষ্ঠাবর্ষ থেকেই নির্দিষ্ট আসনের জন্য ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হচ্ছে। ফলে শুরু থেকেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানসম্পন্ন শিক্ষার কারণে এই বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী এসেছে। 

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাসুল (সা.) এর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে : মাওলানা এ.টি.এম মাসুম

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাসুল (সা.) এর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে : মাওলানা এ.টি.এম মাসুম

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলার উদ্যোগে সীরাতে রাসুল (সা.)  উপলক্ষে রচনা ও সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৩ এর পুরস্কার বিতরণ ও সীরাত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা আমীর মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা আল আমীন মো. সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ.টি.এম মাসুম। 

তিনি বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাসুল (সা.) এর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)এর আদর্শ থেকে সরে আসার কারণেই আজ বিশ্বে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হচ্ছে মুসলমানরা। ইসলাম, মুসলিম ও রাসূলুল্লাহর ব্যাপারে অস্বচ্ছ ধারণার কারণেই অমুসলিমরা মুসলমানদের শত্রু মনে করে। আমরাও তাদের নিকট সত্য বিষয়টি জানাতে ব্যর্থ হয়েছি। এ থেকে উত্তরণে আমাদেরকে কুরআন-হাদিস ও রাসূলের সীরাত অনুসরণ, অনুকরণ ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুশীলন করতে হবে। মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জ্ঞান অর্জন ও গবেষণা করতে হবে। উগ্রবাদীতা নয়, বরং প্রকৃত ইসলামী অনুশাসন মেনে চলার মধ্যেই রয়েছে মুক্তি।   

তিনি আরো বলেন, রাসুল (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। তার মধ্যে অসাধারণ গুণাবলি পরিপূর্ণভাবে বিদ্যমান ছিলো। তাই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাসুল (সা.) এর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে এবং তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানুষ।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) এর জীবনী পাঠ্য বই থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। আগামী প্রজন্মকে ইসলাম ও রাসূল স. এর পথ থেকে দুরে রাখতে ও নাস্তিক্যবাদের দিকে ধাবিত করতে গভীর  ষড়যন্ত্রের জাল বিছানো হয়েছে। পাঠ্য পুস্তকে পৌত্তলিকতা ও ব্যঙের নাচ শিখানো হচ্ছে। ক্যারিয়ার গঠনে রাসূল স. সীরাত অনুসরণের কোন বিকল্প নেই। রাসুলের  সীরাত চর্চা ও গবেষণার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ইসলামের আলোকে সাজাতে পারলেই পুতিগন্ধময় এই সমাজ আলোকিত হয়ে উঠবে। দূর হবে অশান্তি ও ভেদাভেদ। নিশ্চিত হবে সাম্য মানবিক মর্যাদা ও সুবিচার। পৃথিবীতে আবারও ফিরে আসবে ইসলামের সোনালী অধ্যায়।

সীরাত সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। আলোচনা পেশ করেন বিশিষ্ট আলেমদ্বীন মাওলানা শফিউল হক জিহাদী ও মাওলানা আবু সায়েম। এসময় জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, জাহিদুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া সেক্রেটারি হেদায়েত উল্লাহ, কর্মপরিষদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন, কক্সবাজার শহর আমীর আবদুল্লাহ আল ফারুক, সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক খুরশিদ আলম আনছারী, রামু উপজেলা আমীর ফজলুল্লাহ মু. হাসান, ঈদগাঁও উপজেলা আমীর মাওলানা সলিম উল্লাহ জিহাদী, চকরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা আবুল বাশার, চকরিয়া পৌরসভা আমীর আরিফুল কবির, উখিয়া উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মুহাম্মদ নূরুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লোখ্য, সীরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে জেলা ব্যাপী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রচনা প্রতিযোগিতা এবং জামায়াত সদস্য ও কর্মীদের জন্য সীরাত গ্রন্থ পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সীরাত সম্মেলনে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।


জীবনের সর্বক্ষেত্রে নিজেকে দ্বীনের জন্য উৎসর্গ করতে হবে : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

জীবনের সর্বক্ষেত্রে নিজেকে দ্বীনের জন্য উৎসর্গ করতে হবে : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক : 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ডামি নির্বাচন দেশের সাধারণ মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশ বিদেশে ঘৃণিত হয়েছে। পাতানো ডামি নির্বাচনে কোথাও ভোটের লাইন দেখা যায় নি। তবু নির্লজ্জভাবে ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে দাবি করেছে আওয়ামী লীগ।

সোমবার (২২জানুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা শাখার আয়োজনে জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সহযোগি সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, এ সরকার মানুষের ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার নষ্ট করেছে। চলাফেরা স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কোথাও সুবিচার আর নাই। অসৎ নেতৃত্বের পরিবর্তন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের কর্মীদেরকেই আল্লাহ সবচেয়ে ভালোবাসেন। কাজেই জীবনের সর্বক্ষেত্রে নিজেকে দ্বীনের জন্য উৎসর্গ করতে হবে।

সহযোগী সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, নিজের সন্তানদের কুরআন শিক্ষা দিন। বসতবাড়িকে কুরআনের বাড়িতে পরিণত করুন। তাহলেই সার্থকতা আসবে।

আমীরে জামায়াত বলেন, আল্লাহর বিধান অনুযায়ী যারা রাষ্ট্র চালায় না কুরআনে তাদেরকে কাফির, জালিম, ফাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। জান্নাত পেতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম মানতে হবে।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদ উদ্দিন ফারুকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবদুর রব।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দেশ এখন গভীর সংকট ও চক্রান্তে নিমজ্জিত। গেল ৭ জানুয়ারি গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া হয়েছে। দেশকে উগ্র, চরম, সেক্যুলার রাষ্ট্র বানাতে পেছনের কিছু দেশ ভূমিকা রেখেছে। তার ক্রীড়নক হিসেবে তাজ করেছে আওয়ামী লীগ। তারা ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করতে মহাপরিকল্পনা নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। আদর্শিক ও রাজনৈতিক সংকট চরম অবস্থায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশকে ভারতের পূর্ণাঙ্গ অঙ্গরাজ্য করতে পুরোপুরি আয়োজন সম্পন্ন করেছে আওয়ামী লীগ। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে দেশপ্রেমিক ইসলামী জনতাকে আরো শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হতে হবে।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, সহকারী সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, জেলা যুব ও ক্রীড়া সেক্রেটারি হেদায়েত উল্লাহ ও শহর জামায়াতের আমীর আবদুল্লাহ আল ফারুখ।

সমাপনী বক্তব্যে জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, রাজনৈতিক আকাশের এই কালো মেঘ কেটে যাবে। দেশের মাটিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ খুবই সন্নিকটে। চূড়ান্ত সফলতা পেতে আমাদের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে; কাল্পনিক সংবাদের সাথে কোনভাবে জড়িত নই : কায়সার লিটন

আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে; কাল্পনিক সংবাদের সাথে কোনভাবে জড়িত নই : কায়সার লিটন

বার্তা পরিবেশক : 

গত ২৩ জানুয়ারী দৈনিক দৈনন্দিন ও বিভিন্ন অনলাইন নিউজে প্রকাশিত “প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি সিন্ডিকেট, লিটনের কারিশমায় ২০ বছর ধরে ক্লাস না করেই বেতন নেন রাশেদ” শীর্ষক সংবাদে আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কিছু অসাধু চাঁদাবাজরা আমার নিকট থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবী করিয়া আসিতেছে এবং ওইসব চাঁদাবাজদের অনৈতিক আবদারের রাখার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। আমি এতে তাদের অনৈতিক আবদার ও চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। 

আমি উক্ত সংবাদের সাথে কোনরকমই জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে এর আগেও ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তারই অংশ হিসেবে আমাকে এমন ঢাহা মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা অবাস্তব, কাল্পনিক কিছু কথাবার্তা সাজিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমি তাদের (ষড়যন্ত্রকারী) কে বলতে চাই, আমাকে নিয়ে আর কতো কুৎসা রটনা সাজিয়ে হেয়প্রতিপন্ন করার নাটক সাজাবেন। আমি এতে মোটেও হতাশ নই, কারণ সত্যকে কখনো মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ডেকে রাখা যায় না। তদ্রুপ আপনাদেরও একদিন মিথ্যা কাল্পনিক কথাবার্তার জন্য এই মাশুল গুনতে হবে। 

সুতরাং যে বা যারা আমার প্রাণপ্রিয় সাংবাদিক ভাইদের দিয়ে এমন মিথ্যা, কাল্পনিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার নিমিত্তে উঠে পড়ে লেগেছেন, এতে করে লাভ বা লোকসান কোন কিছুতেই আমার যায় আসে না। আমি কখনো এমন সংবাদের সাথে জড়িত ছিলাম না এবং আদৌ নেই, ভবিষ্যতেও থাকবো না। আমি সব সময় সত্যের পক্ষে আছি, আমাকে সংবাদের যে বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করা হয়েছে, সে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও স্থানীয়দের তদন্ত সাপেক্ষে সরকার কর্তৃক আমাকে উক্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে সম্মানিত করেছেন। আমি এই স্কুলে দূর্নীতি কিংবা ব্যবসা করতে আসিনি। আমি এসেছি এলাকার ভাবমুর্তি উজ্জল করে শিক্ষার আলোকে এই অঞ্চল থেকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে। আমি কারো আবদারের কথা শুনতে এই বিদ্যালয়ে আসিনি। এই পর্যন্ত যারা আমাকে বিভিন্নভাবে বিদ্যালয় থেকে উৎকোচ আদায়ের নিমিত্তে চাপ সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে হুশিয়ারী করে বলতে চাই, আপনারা যতই ষড়যন্ত্র করুন, আমি আমার এই মহৎ পেশা সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণভাবে পালন করে এতদাঞ্চলে পড়ালেখার মান-উন্নয়নে ধাবিত হবো। 

তাই আমার প্রাণপ্রিয় সাংবাদিক ভাইদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করে বলবো, এ সমস্ত কিছু মানুষের কুৎসা, রটনায় কান না দিয়ে সত্যকে উন্মোচিত করে সমাজ ও দেশের মানুষকে সুপথ দেখাবেন। কারণ মানুষ আপনাদের কাছে কিছু শিখতে চায়, জানতে চায়, এ দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে মানুষকে উৎসাহিত করবেন। এতে এ দেশের জনসাধারণ উপকৃত হবে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরণের মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করার আগে যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্য উপাত্ত নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করুন। পাশাপাশি প্রকাশিত সংবাদটি নিয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ারও অনুরোধ জানাচ্ছি। 

বিশেষভাবে আরেকটি অনুরোধ, আপনার দৈনন্দিনে আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়কে একটি অভিনন্দন ছাপিয়েছি, এই দিনেই আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা সংবাদটি পরিবেশন করেছেন। এতে আমি দু:খ প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই বলার ভাষা নেই। যাই হোক সকল ষড়যন্ত্রকারীরা ভালো থাকবেন, পাশাপাশি মহেশখালী উপজেলার জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার মান উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। 

উক্ত সংবাদে বলা হয়েছে, উক্ত প্রতিষ্ঠানটিতে ২০ বছর যাবৎ ধরে আমাদের নেতৃত্বে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। ওই সময় তো আমি (প্রধান শিক্ষক হিসেবে ছিলাম না)!  আমি যোগদান করেছি ১৯/১/২০২৩ সালে এবং কিভাবে ওই সময় থেকে আমরা টাকা দিচ্ছি এটি আমাদের প্রশ্ন। এই বাক্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। যা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নই।

তাছাড়া সরকার কর্তৃক ম্যানেজিং কমিটি দ্বারা জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এ উচ্চ বিদ্যালয়ে আমি দুর্নীতি করার কোন প্রকার সুযোগ নেই এবং কোন শিক্ষক অনিয়ম-অনৈতিক কাজে বা অনুপস্থিত থাকলে, তার বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক যথাযথ গ্রহণ করা হয়। 

এই সমস্ত কিছু ষড়যন্ত্রকারীরা সহ্য করতে না পেরে, উক্ত ম্যানেজিং কমিটিকে দূর্বল করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখছে। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনার উক্ত বিদ্যালয়ে সরাসরি তদন্ত করে দেখুন। এতে আমার কোন হাত থাকলে, আমি স্বেচ্ছায় আইনানুগভাবে শাস্তিভোগ করবো।


প্রতিবাদকারী—

মোঃ কায়সার লিটন 

প্রধান শিক্ষক

জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

মহেশখালী, কক্সবাজার।

হৃদয়ে আখেরাতের ভাবনাকে জাগ্রত করতে কুরআনের সঠিক অনুসরণের বিকল্প নেই : মাওলানা দিলাওয়ার

হৃদয়ে আখেরাতের ভাবনাকে জাগ্রত করতে কুরআনের সঠিক অনুসরণের বিকল্প নেই : মাওলানা দিলাওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, কুরআন পার্থিব গাফলতির পর্দা ছিন্ন করে হৃদয়ে আখেরাতের ভাবনা জাগ্রত করে। উৎসাহ কিংবা ভীতিপ্রদর্শনের মাধ্যমে পরিণাম সম্পর্কে স্মরণ করে দেয়। এমন বিষয়ের বর্ণনা পাওয়া যায় যে, যা শুনে মানুষের অন্তর কোমল হয় এবং আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধাবনত হয়ে পড়ে। কুরআনুল কারীম অন্তরের ব্যাধিসমূহ যেমন সন্দেহ, সংশয়, নিফাক, মতবিরোধ ও ঝগড়া-বিবাদ ইত্যাদির জন্য একান্ত সফল চিকিৎসা ও সুস্থতা এবং রোগ নিরাময়ের অব্যর্থ ব্যবস্থাপত্র। সঠিক আকীদা বিশ্বাস বিরোধী যাবতীয় সন্দেহ কুরআনের মাধ্যমে দূর হতে পারে।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে কক্সবাজারের পেকুয়া বারবাকিয়ার দক্ষিণ বারাইয়াকাটা সীরাতুন্নবী (সা.) কমিটি আয়োজিত তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

বারবাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা এ.এইচ.এম বদিউল আলম জিহাদী সভাপতিত্বে মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার আরো বলেন, কুরআন হলো হেদায়াত। অর্থাৎ যে তার অনুসরণ করবে তার জন্য সঠিক পথের দিশা প্রদানকারী। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে কুরআনকে হেদায়াত বলে অভিহিত করেছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা; রহমত বলেও কুরআনের পরিচয় তুলে ধরেছেন। এসবই কিন্তু মুমিনদের জন্য কারণ; তারাই এর দ্বারা উপকৃত হয়, কাফেররা এর দ্বারা উপকৃতত হয় না, কারণ তারা এ ব্যাপারে অন্ধ।

এতে বিশেষ আলোচকের বক্তব্য রাখেন মাওলানা রিয়াজুর রহমান আল আরাবী, মাওলানা এম. মামুনুর রশীদ, মাওলানা নূর মোহাম্মদ বোরহানী ও মাওলানা লুৎফুর রহমান বাবর প্রমুখ। এসময় দক্ষিণ বারাইয়াকাটা সীরাতুন্নবী (সা.) কমিটির সর্বস্তরের দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং আপামর জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।